মনপুরা হলো সম্পূন্ন নদী দ্বারা আবদ্ধ দ্বীপ যেখানে ভূমি সেবা গ্রহনের জন্য অতিরিক্ত অর্থ দিতে হয় যা এখন নিয়মে পরিনত হয়েছে। অন্যান্য দপ্তরের মত এখনে ভূমি অফিসে কর্মরতরা নিজেদের দূনীতিকে পরিশ্রামে অর্থ মনে করেন। ভূমি নামজারি থেকে শুরু করে খাজনা এবং যেকোনো সেবা গ্রহনের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত অর্থ আগ্রিম দিতে হবে। অনেক ক্ষেত্রে অতিরিক্ত অর্থ দিয়েও সেবা পাওয়া যায় না হতাশা জনক। সবচেয়ে হাস্যকর বিষয় হলো এখানকার স্থানীয় সাংবাদিক দাবি করা একজন — নামে সেও ভূমি অফিসের কর্মকতাদের থেকে হাদিয়া নেন সংবাদ প্রকাশ করবেন না বলে 🤣🤣🤣। সবশেষ আমার মতামত হলো সরকার যেহেতু দুনীতিকে থামাতে পারবে না সেই ক্ষেত্রে দুনীতির রেট নিধারন করে দিলে আমাদের মত সাধারন জনগনের উপকার হয়। মানসিক ভাবে হলেও তো প্রস্তুত থাকতে পারবো😭😭😭
টাকা দিলে সমাধান করে দিবে নাতো জমি পাব না, জোর করে দখল করে নিচ্ছে তাও সমাধান করে দিবে না।
বিডিএস জরিপ এর জন্য ১ লক্ষ টাকা চেয়েছিলেন। ৩০০০০/= টাকা দিয়ে কাজ করানো হয়েছে। এভাবে প্রত্যেকের কাছ থেকে টাকা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।
যৌথ বাড়ি নির্মাণ ও নকশা, প্লান পাশ অনুমতি জন্য। বাড়ি নির্মাণ অনুমতি পেতে নামজারিসহ যৌথ নির্মাণ অনুমতি, ভাঙ্গা গড়ার অনুমতি পেতে।
ভূমি কর দিতে আব্বা গিয়েছিল। কিন্তু আমাদের Tax. গত বছরেরই সব পরিশোধ করা হয়েছিল। আব্বা সাধারণ মানুষ। ১০ টাকার একটা স্লিজ বের করে ২০০ টাকা নিয়েছে। গতবছর আমার আব্বাকে বলেছিল মোট ১৪ হাজার টাকা লাগবে। আমি সেই কাহ্জ চলতি বছর ফেব্রুয়ারিতে ৫২৬৫ টাকায় করেছি
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।