মাতুয়াইল মাও শিশু হাসপাতাল ঘুষের স্বর্গরাজ্যে পরিনত হয়েছে। ব্লাড টেস্ট করতে পরের দিন দূপুরে রিপোর্ট দেয়ার কথা বলে। কিন্তু আপনি ২০০টাকা দিলেই ১৫মিনিটের মধ্যে রিপোর্ট রেডি। ওয়ার্ডগুলোতে যে আয়া নিয়োজিত থাকে ঐ খবিসগুলো টাকা ছাড়া বিছানা চাদর বালিস কিছুই দিবেনা। ক্লিনাররা রোগী রিলিজ দিলে টাকা ছাড়া ছাড়েনা। কোনো বাচ্চাশিশু কে ইমারজেন্সী NSU তে ভর্তি করা লাগলে সিট খালি থাকলেও আপনাকে বলা হবে সিট নেই। আনসার বা গার্ডের মাধ্যমে অন্য হাসপাতালে কথা বলিয়ে দিবে। সেখানে ভর্তি হবেন মোটা অংকের খরচ বহন করতে হবে প্রতিদিন। আর সেই খরচের কমিশন যায় ঐ আনসার আর যে ডাক্তার আপনাকে সিট নাই বলে বিদায় করেছে। কিছু সংখ্যক নার্সের আচরন দেখলে নিজেকে তাদের কাছে অসহায় ভাবতে বাধ্য হবেন। তবে সব নার্স না। যারা নতুন তারা কিছুটা ভাল।
one Dr. asked 2000 taka for given my father's death certificate :(
রোগী ভর্তি করাতে যেয়ে উনারা বলতেছিলো সিট খালি নেই। পরে একজন আয়াকে ৫০০ টাকা দিতেই উনি ভিতরে গিয়ে নিজে কেমনে কী করে আসলো। সিট পেয়ে গেলাম
Asked for 500 to get me a bed for my son
কিডনি বিভাগে ভর্তি হয়েছি। তারপর ছাড়পত্র আনার সময় ওয়ার্ল্ড বয় চা নাস্তা বাবদ কিছু টাকা দাবি করে।। তারপর তা পরিশোধ করি।
Comments 0
No comments yet. Be the first.