আমার ভাগ্নির জন্মের প্রায় ৪ মাস পরে (ঢাকায় হাসপাতাল থেকে একটা সনদ দেয় সেটা পেতে দেরি হয়, এবং ব্যস্ততার কারনে) জন্মনিবন্ধন আবেদন করি, প্রথম আবেদন বাতিল হয়। পরে ঠিকঠাকভাবে আবেদন নিজেই করি। আবেদন ফরম এ লিখা থাকে এই ফরম সরকারী সংস্থা থেকে বিনা মুল্যে পাওয়া যাবে। এবং আইন অনুযায়ী জন্মের ৪৫ দিনের মধ্যে জন্মনিবন্ধন করলে বিনামূল্যে। ৪৫ দিন এর পর থেকে ৫ বছররের মধ্যে করলে ২৫ টাকা +১৫% ভ্যাট। কিন্তু তারা আসলে এই টাকা নেই না, এবং কোনো রসিদ ও দেইনা। সরাসরি ২০০ টাকা দাবি করে। জিজ্ঞেস করলে বলে এটাই সরকারী ফি, সাথে ফরম প্রিন্ট এর খরচ আছে। (তখন অনলাইনে আবেদন করা ফরম শুধু মাত্র সংস্থাই প্রিন্ট করতে পারত) বাকি সবাই তাই-ই দিচ্ছে। তাই অল্প টাকা বলে আর বাকবিতন্ডা না করে ২০০ টাকা দিয়ে চলে আসি।
ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে গিয়েছিলাম,,২৬৯১ টাকার রশিদ দিয়েছে,, কিন্তু অতিরিক্ত ৫০০ টাকা দিতে হয়েছে, নইলে কোনভাবেই দিচ্ছিলো না,,টঙ্গী পৌরসভা অফিস
There's unofficial people roaming inside of the DNCC office in Mohakhali who would say it is not possible at first only to make you bribe them.
ট্রেড লাইসেন্সের কাজ অনলাইন ওয়েবসাইট বানায় রাখলেও এসব কাজ অনলাইনে কিছুই হয় না। সব দালাল আর ঘুরে ঘুরে করা লাগে ডিএনসিসি অফিস, ওয়ার্ড নং ২৮ ই '—' নাম এর একজন ঘূষ নিসে ট্রেড লাইসেন্স সাথে করে দিবে আর টাকা না দিলে কাজ করতে ১ সপ্তাহ লাগবে। তাই আমি বাধ্য হয়ে ১০০০ টাকা ঘুষ দেই। ঘুষ দেয়ার সাথে সাথে ১ দিনের মধ্যে ৩-৪ জন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার স্বাক্ষর নিয়ে নেয় এই ব্যাক্তি । এই অফিসে যতজন কাজ করে সবাই নিজের সাথে দালাল রাখে। নিজেরা ভালো মানুষ হয়ে বসে থাকে আর দালাল দিয়ে কাজ চালায়
আমি দোকানের জন্য একটি ট্রেড লাইসেন্স করতে ঢাকা দক্ষিণ সিটির খিলগাঁও, তিলপাড়ায় যাই। সরকারি ফি- 4075 টাকা, কিন্তু তারা দাবি করে- 7000 টাকা। অবশেষে আমি 6000 টাকায় কাজ সম্পন্ন করি।
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।