গত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে যখন পাসপোর্টের পুলিশ ভেরিফিকেশন বাধ্যতামূলক ছিল, তখন আমার ব্যক্তিগত একটি তিক্ত অভিজ্ঞতা হয়েছিল। পাসপোর্ট ভেরিফিকেশনের জন্য একজন পুলিশ কর্মকর্তা আমাকে ফোন করে নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে অবস্থিত একটি হোটেলে যেতে বলেন। সেখানে প্রবেশ করার পর দেখতে পাই, ভেরিফিকেশনের দায়িত্বে থাকা একজন পুলিশ কর্মকর্তা রমজান মাসে বসে সিগারেট ও চা পান করছিলেন এবং অন্য একজন ব্যক্তির কাছ থেকে টাকা নিচ্ছিলেন। এরপর আমরা সামনে গেলে ওই পুলিশ কর্মকর্তা সরাসরি আমার কাছে ১,০০০ টাকা দাবি করেন। আমি জানাই যে, সঙ্গে টাকা নেই। তখন তিনি আমাকে বলেন, টাকা না দিলে আমার পাসপোর্ট তিন মাসের মধ্যে পাব না।
আমি একজন স্টুডেন্ট আমি আবেদন করার সময় লেবার সিলেক্ট করি ভুলে এখন নাকি লেবার তার ডকুমেন্টস লাগবে আমার জানা মতে এমন কোন ডকুমেন্টস হয় না এটা তাদের জানালে তারা একটা নাম্বার দেয় এবং তার সাথে যোগাযোগ করতে বলে পরে যোগাযোগ করলে ৩৫০০ টাকা দাবি করে অবশেষে টাকা দিলে পরে আমার পাসপোর্ট এর কগজ এবং ফিঙ্গার নেয়
The police demanded it. Otherwise he was giving me a lot of trouble.
ঘটনাটা এই বছরের নয় গত বছরের। আমার IELTS পরীক্ষার জন্য পাসপোর্টের প্রয়োজন ছিল। অনলাইনে আবেদন সাবমিট করে যেদিন ফিঙ্গার ও ছবি উঠানোর জন্য যাই সেদিন সমস্ত কাগজ ঠিক থাকার পরেও আমাকে ফেরত পাঠানো হয়। পরবর্তীতে আমার পরিচিত একজন আত্মীয়ের মাধ্যমে পাসপোর্ট অফিসের সামনে অবস্থিত কম্পিউটারের দোকানের মাধ্যমে উপরে উল্লেখিত নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা প্রদান করি। পরবর্তীতে জানতে পারি ওখানে অবস্থিত সকল টেক দোকানগুলোর কাজ হলো এটা।
পাসপোর্টের পুলিশ ভেরিফাই করাতে গিয়ে ১০০০ টাকা পুলিশ ঘুস নিছে,,,
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।