দাদার জমি মায়ের নামে দলিল করে দেওয়ার পরেও সরকারি নথিতে এখনো দাদার নামেই বহাল থাকায় ঐ জমি দ্বীনী প্রতিষ্ঠানে দান করলে তাদের পক্ষ থেকে বক্রির ক্ষেত্রে জটিলতা পরিলক্ষিত হয়েছে।। সমাধানের জন্য ভূমি অফিসে গেলে একজন বলে তাকে টাকা দিলে তারা জেলা সদর থেকে করে আনতে পারবে।। আবার কেউ বলেছে যে, না! এখানে থেকে এটা করা সম্ভব না। আমি জমি সংক্রান্ত বিষয় গুলো খুব একটা বুঝি না! যার ফলে আমাকে একজন আইনজীবীর পরামর্শ ও সহযোগিতার মাধ্যমে করতে হয়েছে।। ঢাকা ভূমি অফিস থেকে ৫০০৳ এর বিনিময়ে নকশা উত্তোলন করতে হয়েছে।। উনার মাধ্যমে ৯টা খতিয়ান উত্তোলন করানো হয়েছে।। যার জন্যে আমাকে ১০ হাজার টাকা প্রধান করতে হয়েছে।।। অথচ আমি পরে জানতে পারি প্রতিটি খতিয়ান খরচ অতি সামান্য টাকা অর্থাৎ ১২০৳ (কম-বেশি) করে।।
টাকা দিলে সমাধান করে দিবে নাতো জমি পাব না, জোর করে দখল করে নিচ্ছে তাও সমাধান করে দিবে না।
বিডিএস জরিপ এর জন্য ১ লক্ষ টাকা চেয়েছিলেন। ৩০০০০/= টাকা দিয়ে কাজ করানো হয়েছে। এভাবে প্রত্যেকের কাছ থেকে টাকা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।
যৌথ বাড়ি নির্মাণ ও নকশা, প্লান পাশ অনুমতি জন্য। বাড়ি নির্মাণ অনুমতি পেতে নামজারিসহ যৌথ নির্মাণ অনুমতি, ভাঙ্গা গড়ার অনুমতি পেতে।
ভূমি কর দিতে আব্বা গিয়েছিল। কিন্তু আমাদের Tax. গত বছরেরই সব পরিশোধ করা হয়েছিল। আব্বা সাধারণ মানুষ। ১০ টাকার একটা স্লিজ বের করে ২০০ টাকা নিয়েছে। গতবছর আমার আব্বাকে বলেছিল মোট ১৪ হাজার টাকা লাগবে। আমি সেই কাহ্জ চলতি বছর ফেব্রুয়ারিতে ৫২৬৫ টাকায় করেছি
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।