নেত্রকোণা সদর উপজেলার ফচিকা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে ৩ শতাংশ জমির ভূমি উন্নয়ন কর দিতে গিয়ে হয়রানির শিকার হই। অনলাইনে বারবার সঠিক তথ্য ও কাগজপত্র দিয়ে আবেদন করা সত্ত্বেও দাগ ও খতিয়ান ভুলের অজুহাতে তা বাতিল করা হচ্ছিল। সরাসরি অফিসে গেলে তহশিলদার নির্দ্বিধায় জানান, সেবাগ্রহীতাদের অফিসে এনে টাকা আদায়ের জন্যই ইচ্ছাকৃতভাবে অনলাইনে আবেদন বাতিল করা হয়, কারণ জেলা অফিসে তাদের নিয়মিত টাকা দিতে হয়। অনলাইনে বিনামূল্যে আবেদন করার নিয়ম থাকলেও তহশিলদার আবেদন করে দেওয়ার নামে প্রথমে ২,০০০ টাকা দাবি করেন। পরবর্তীতে তর্কবিতর্কের পর বাধ্য হয়ে সেবাগ্রহীতাকে ১,২৫০ টাকা ঘুষ দিতে হয়। কথোপকথনের সময় ওই তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারী জেলা ডিসি অফিসের পাশে নিজের চারতলা বাড়িটির কথাও প্রকাশ্যে গর্বের সাথে প্রকাশ করেন।
টাকা দিলে সমাধান করে দিবে নাতো জমি পাব না, জোর করে দখল করে নিচ্ছে তাও সমাধান করে দিবে না।
বিডিএস জরিপ এর জন্য ১ লক্ষ টাকা চেয়েছিলেন। ৩০০০০/= টাকা দিয়ে কাজ করানো হয়েছে। এভাবে প্রত্যেকের কাছ থেকে টাকা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।
যৌথ বাড়ি নির্মাণ ও নকশা, প্লান পাশ অনুমতি জন্য। বাড়ি নির্মাণ অনুমতি পেতে নামজারিসহ যৌথ নির্মাণ অনুমতি, ভাঙ্গা গড়ার অনুমতি পেতে।
ভূমি কর দিতে আব্বা গিয়েছিল। কিন্তু আমাদের Tax. গত বছরেরই সব পরিশোধ করা হয়েছিল। আব্বা সাধারণ মানুষ। ১০ টাকার একটা স্লিজ বের করে ২০০ টাকা নিয়েছে। গতবছর আমার আব্বাকে বলেছিল মোট ১৪ হাজার টাকা লাগবে। আমি সেই কাহ্জ চলতি বছর ফেব্রুয়ারিতে ৫২৬৫ টাকায় করেছি
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।