আমি একটা জমি ক্রয় করেছি জমিটার নাম বর্তমান আমার নামে করার জন্য ঝিনাইদা সদর থানার হাট গোপালপুর বাজার সংলগ্ন ১১ নং পতাকার ইউনিয়নের ভূমিরূপ কর্মচারী — উনি চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী উনি ওখানকার পিয়ন উনি আমার কাছে ৫০০০ টাকা দাবি করেছে আমি দিতে অস্বীকার করেছি আমার কাজটা নিয়ে অনেকদিন ঘুরাইছে তারপর আমি লোকজন ধরে সেটা করে নিয়েছি উনার জমা জমির হিসাব বা সম্পদের হিসাব আপনারা সরজমিন গিয়ে দেখলেই বুঝতে পারবেন ঝিনাইদা শহরে জায়গা কিনেছে আর হাটগোপালপুর বাজারে জায়গা কিনেছে এবং ওনার দোকান আছে বাজারে একজন কর্মচারী হয়ে এত সম্পদ কিভাবে করা সম্ভব গ্রামের বাড়িতে সাদ করে বাড়ি করেছে ছেলেকে আর ওয়ান ফাইভ কি নে দিছে
টাকা দিলে সমাধান করে দিবে নাতো জমি পাব না, জোর করে দখল করে নিচ্ছে তাও সমাধান করে দিবে না।
বিডিএস জরিপ এর জন্য ১ লক্ষ টাকা চেয়েছিলেন। ৩০০০০/= টাকা দিয়ে কাজ করানো হয়েছে। এভাবে প্রত্যেকের কাছ থেকে টাকা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।
যৌথ বাড়ি নির্মাণ ও নকশা, প্লান পাশ অনুমতি জন্য। বাড়ি নির্মাণ অনুমতি পেতে নামজারিসহ যৌথ নির্মাণ অনুমতি, ভাঙ্গা গড়ার অনুমতি পেতে।
ভূমি কর দিতে আব্বা গিয়েছিল। কিন্তু আমাদের Tax. গত বছরেরই সব পরিশোধ করা হয়েছিল। আব্বা সাধারণ মানুষ। ১০ টাকার একটা স্লিজ বের করে ২০০ টাকা নিয়েছে। গতবছর আমার আব্বাকে বলেছিল মোট ১৪ হাজার টাকা লাগবে। আমি সেই কাহ্জ চলতি বছর ফেব্রুয়ারিতে ৫২৬৫ টাকায় করেছি
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।