সরকারি নিয়মানুযায়ী আমি ৮শতক জমি নামজারির জন্য পর পর তিন বার অনলাইনে আবেদন করি। বিভিন্ন অজুহাতে আমার অনলাইনের আবেদনিটি সহকারী কমিশনার (মহিলা), ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিল করে দেয়। পরবর্তীতে আমার স্কুলের সহপাঠী এক বন্ধুকে ফোন করি সে ও ভুমি অফিসে চাকরি করে। সে আমাকে অবহিত করে যে, সহকারী কমিশনার নামজারির ফাইল ৪০০০.০০ টাকা ছাড়া অনলাইনের ফাইলে স্বাক্ষর করে না। তাই বাদ্য হয়ে ৪০০০.০০ টাকা দিয়ে অনলাইনে নামজারি প্রক্ষিয়া সম্পন্ন করি।
টাকা দিলে সমাধান করে দিবে নাতো জমি পাব না, জোর করে দখল করে নিচ্ছে তাও সমাধান করে দিবে না।
বিডিএস জরিপ এর জন্য ১ লক্ষ টাকা চেয়েছিলেন। ৩০০০০/= টাকা দিয়ে কাজ করানো হয়েছে। এভাবে প্রত্যেকের কাছ থেকে টাকা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।
যৌথ বাড়ি নির্মাণ ও নকশা, প্লান পাশ অনুমতি জন্য। বাড়ি নির্মাণ অনুমতি পেতে নামজারিসহ যৌথ নির্মাণ অনুমতি, ভাঙ্গা গড়ার অনুমতি পেতে।
ভূমি কর দিতে আব্বা গিয়েছিল। কিন্তু আমাদের Tax. গত বছরেরই সব পরিশোধ করা হয়েছিল। আব্বা সাধারণ মানুষ। ১০ টাকার একটা স্লিজ বের করে ২০০ টাকা নিয়েছে। গতবছর আমার আব্বাকে বলেছিল মোট ১৪ হাজার টাকা লাগবে। আমি সেই কাহ্জ চলতি বছর ফেব্রুয়ারিতে ৫২৬৫ টাকায় করেছি
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।