unknown বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়েছে

প্রথমে আমি নিজে অনলাইনে পাসপোর্ট এর এপ্লাই নিজের ফোন থেকে করি।সেটা প্রাথমিকভাবে আবেদনপত্র পাসপোর্ট অফিসে জমা দিই। দায়িত্বরত লোকটি আমার কোনোপ্রকার ভুলত্রুটি না ধরে, জাস্ট 2/1 টা পেজ চোখের পলকে উল্টিয়ে আমার আবেদনপত্রটি বর্জন করেন। আমি চিন্তায় পড়ে যাই। তারপর সাথে একজন ছেলে বললো যে ভাই, এখানে নিজের করা এপ্লিকেশন এলাউ হবে না, যদি না পার্শ্ববর্তী দোকান থেকে এক্সট্রা 2000/ দিয়ে এপ্লিকেশন না করেন। কিছুক্ষণ পরিস্থিতি নিজ চোখে দেখে সত্যিটা উপলব্ধি করলাম। আমি যখন কোনো উপায় না দেখে 1500/ এক্সট্রা জরিমানা দিতে দোকানদারকে স্বীকৃতি জানালাম। দেখলাম আমার আবেদন করা সেই এপ্লিকেশনেই পরের পেজে শুধুমাত্র একটা চিন্হ দিয়ে দিলেন, আর পরবর্তীতে একই এপ্লিকেশন ম্যাজিকের মতো এক্সেপ্ট ও হয়ে গেল।

বিবরণ
টাকার পরিমাণ ৳২,০০০
যে কাজের জন্য unknown
দপ্তর কাস্টমস অফিস
বিভাগ ময়মনসিংহ
থানা / উপজেলা জামালপুর
রিপোর্টের তারিখ ৩১ আগস্ট ২০২৬
কতজন দেখেছেন ১ বার
নিশ্চিতকরণ ৯ জন
এই দপ্তরের সব রিপোর্ট

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য সবাই দেখতে পাবে। নাম না দিলে বেনামী হিসেবেই থাকবে। কারও নাম, ঠিকানা বা ফোন নম্বর লিখবেন না।

একই দপ্তরের আলোচিত রিপোর্ট

কাস্টমস অফিস

Into Bond & Ex-Bond

প্রতিমাসে Into Bond & Ex-Bond করতে অফিসারদেরকে এরকম টাকা দেওয়া লাগে।

ঘুষ দিয়েছি
শেগুনবাগিচা ৳১০.০ হাজার
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১,১০১
কাস্টমস অফিস

Examine

জেটি কাস্টমস চট্টগ্রাম এর জয়েন কমিশনার — এর ছত্রছায়ায় অসাধু কর্মকর্তাদের একটি চক্র পণ্য পরীক্ষণে বিপুল পরিমাণ অর্থ আদায় করছে। নাহলে অযথা বিলম্ব করে নানাভাবে হয়রানি করে। এজন্য পণ্য খালাসে বিলম্ব হচ্ছে। অহেতুক মামলার সম্মুখীন হতে হচ্ছে।

ঘুষ দিইনি
চট্টগ্রাম ৳৫.০০ লাখ
২৫ আগস্ট ২০২৬ ৭৮৯
কাস্টমস অফিস

Asssesment

চট্টগ্রাম কাস্টম এর শুল্কায়ন গ্রুপ ৪ এর সহকারী কমিশনার — একটি পণ্য চালান ছাড়ের ১৫০০০০ লক্ষ টাকা দাবি করেন। পরবর্তীতে পণ্য ডেমারেজ এর কথা চিন্তা করে ১২০০০০ টাকা দিয়ে সমাধান করা হয়। এই গ্রুপে অযথা পণ্য শুল্কায়ন ফাইলে হয়রানি হতে হয়।

ঘুষ দিয়েছি
চট্টগ্রাম ৳১.৫০ লাখ
২৫ আগস্ট ২০২৬ ২৫৬
কাস্টমস অফিস

ক্যাপিটাল মেশিনারি আমদানী

আমাদের কোম্পানীর একটি আমদানীকৃত মেশিনারি আমদানী পযায়ে এইচএস কোড ভূল ভাবে মূল্যায়ন করে আমদানী টেক্স বাবাদ প্রায় ১৫০,০০,০০০/- দাবী করা হয়। যা শতভাগ অন্যায় ছিল। কিন্তু আমাদের কোম্পানী নিরুপায় হয়ে ১৬,০০,০০০/- ঘুষ প্রদান করে উক্ত চালানটি ছাড় করাতে বাধ্য হয়। তা না হলে আমাদের কোম্পানীর আর ও বড় ক্ষতি হত। হ্যাঁ আমরা স্বীকার করছি কাজটি অন্যায় কিন্তু এ ছাড়া আমাদের আর কোন উপায় ছিল না। আমরা যদি কাস্টমস এর সঙে এই ব্যাপারে উচ্চতর আপিল করে উক্ত চালানটি ছাড় করাতে যেতাম তা হলে অনেক সময় লাগত। ততদিনে বন্দর এর ডেমারেজ এবং শিপিং লাইনের ডেমারেজ সহ উক্ত মেশিনারি দ্বারা যেই পণ্য উৎপাদন করা হবে তাও হত না। এসব কথা বিবেচনা করে আমাদের কোম্পনী ঘুষ প্রদানে বাধ্য হয়।

ঘুষ দিয়েছি
চট্রগ্রাম ৳১৬.০০ লাখ
২৫ আগস্ট ২০২৬ ১১৯