হাউজ বিল্ডিং থেকে লোন নেওয়ার জন্য আমাদের স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে একটি শরিকানা চুক্তি করার প্রয়োজন ছিল। ফেনী সদরের সাব রেজিস্টার এর সাথে প্রথম দিন দেখা করার পর উনি বলল যে করে দেবে, দলিল লিখে যেন নিয়ে যাই। দলিল লিখি নিয়ে যাওয়ার পর বলে যে মুসাবিদাকারকের স্বাক্ষর লাগবে। মূসাবিদাকারকের স্বাক্ষর নেওয়ার পর বলে যে,মুসাবিদাকারক স্বয়ং উপস্থিত থাকতে হবে। যে মুসাবিদাকারক স্বাক্ষর দিয়েছিল, তিনি বলেন যে টাকা ছাড়া সে কাজ করবে না, উপস্থিত হলে তাকে বকা দিবে। পরিচিত আরো কয়েকজনও একই কথা বলল। তারপর অন্য একজনের মাধ্যমে উপস্থাপন করি, সে বলে অফিস খরচ ১১ হাজার টাকা দিতে হবে। তিনি নিজের জন্য খরচ নেয় নাই। তবে আমি তাকে কিছু সম্মানী দিয়েছি।অথচ সরকারি ফি ২০০--৩০০টাকা
If u pay process is fast and smooth. Otherwise file gets prolonged.
জমি রেজিস্ট্রেশন করার পরে নামজারী করতে আফতাব নগর ভূমি অফিস এ গিয়েছিলাম, সরকারি ফ্র্রি ১১০০ টাকা করে ২২০০ টাকা তারা প্রথম এ ২৫০০০০ টাকা দাবি করে, কোনো উপায় না দেখে আমরা ২০০, ০০০ টাকা রাজি হয়। এতো টাকা দিয়ে কোথাও নামজারী কেউ করসে কি না জানা নাই। বাড্ডা আফতাব নগর ভূমি অফিস যেনো ঘুষ এর রাজ্যে।
আমার জমি এর দলিল এর সংশোধন এর জন্য কোর্ট থেকে আদেশ দেওয়া হয়েছিল। যথাযথ প্রসিডিউর (!) ফলো করে রেজিস্ট্রি অফিসে পাঠানো হয়। যিনি নকল বানাবেন উনি অতিরিক্ত চার্জ চান। আমি নেগোশিয়েশন করে একটু কম ধার্য করি। কাজ শুরুর আগে প্রায় অর্ধেক অ্যাডভান্স করার লাগে। কাজ শেষে বাকিটুকু দেই। না দিলে কাজ হত না এটা বলছি না। যেটা ২ সপ্তাহ লেগেছে সেটা হয়ত ৬ মাস বা তার বেশি লাগত।
আমার বাবা, আমার চাচার কাছ থেকে জমি কিনেছিলো, কিন্তু রেজিস্ট্রি করা হয়েছিল না, অল্প সময়ের ব্যবধানে বাবা মারা যান, বাবা মারা যাওয়ার পর, জমির সব নাম অনলাইন করার জন্য সরকার থেকে তাগাদা দিল, তখন চাচা বললো যে এই সুযোগে তোদের দুই ভাই এর নাম রেজিস্ট্রিকরে নে, তো রেজিস্ট্রি করতে গিয়ে চার নামের বানান ভুল ধরা পরে, আর সেই ভুল শোধরানোর জন্য আমাদের অতিরিক্ত 12000 টাকা চাওয়া হয়
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।