আমি নতুন পাসপোর্ট করতে পাসপোর্ট অফিসে গিয়েছিলাম। অফিসের সামনে কম্পিউটারের দোকান থেকে আবেদন করি। এবং যখন ভেতরে যায়। সাড়ে বারোটার দিকে তারা বলে তারা দুপুরের খাবার খেতে যাবেন। দুইটা দেখে আসতে বলল। আমি যখন দুইটার দিকে যাই কোন সিরিয়াল ছিল না তবু তারা আমাকে চারটা পর্যন্ত বসিয়ে রাখেন। চারটার দিকে যখন আমি আবার যাই তখন আমাকে বলে আজকে সময় নাই আগামীকাল আসেন। যখন পরের দিন যাই। তখন আমার আবেদন করা ফর্মে। মায়ের নামের সঙ্গে একটু সমস্যা ছিল। ওরে তাদের কাছে যাই না বলে এটা হবে না। বাইরে আসার সময় এক ভদ্রলোক আমাকে ডেকে বলেন কি সমস্যা সমস্যা বললাম। তখন বলে ৫০০০ টাকা লাগবে। কোন সময় লাগবে না এক মিনিটও সময় লাগবে না। অনেক কথা কাটাকাটির পর তাকে আমি ২৫০০ টাকা দেই। সরাসরি ছবি এবং ফিঙ্গারপ্রিন্ট দেই।
আমি একজন স্টুডেন্ট আমি আবেদন করার সময় লেবার সিলেক্ট করি ভুলে এখন নাকি লেবার তার ডকুমেন্টস লাগবে আমার জানা মতে এমন কোন ডকুমেন্টস হয় না এটা তাদের জানালে তারা একটা নাম্বার দেয় এবং তার সাথে যোগাযোগ করতে বলে পরে যোগাযোগ করলে ৩৫০০ টাকা দাবি করে অবশেষে টাকা দিলে পরে আমার পাসপোর্ট এর কগজ এবং ফিঙ্গার নেয়
The police demanded it. Otherwise he was giving me a lot of trouble.
ঘটনাটা এই বছরের নয় গত বছরের। আমার IELTS পরীক্ষার জন্য পাসপোর্টের প্রয়োজন ছিল। অনলাইনে আবেদন সাবমিট করে যেদিন ফিঙ্গার ও ছবি উঠানোর জন্য যাই সেদিন সমস্ত কাগজ ঠিক থাকার পরেও আমাকে ফেরত পাঠানো হয়। পরবর্তীতে আমার পরিচিত একজন আত্মীয়ের মাধ্যমে পাসপোর্ট অফিসের সামনে অবস্থিত কম্পিউটারের দোকানের মাধ্যমে উপরে উল্লেখিত নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা প্রদান করি। পরবর্তীতে জানতে পারি ওখানে অবস্থিত সকল টেক দোকানগুলোর কাজ হলো এটা।
পাসপোর্টের পুলিশ ভেরিফাই করাতে গিয়ে ১০০০ টাকা পুলিশ ঘুস নিছে,,,
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।