আমরা ৩ একজন হাইস্কুলের শিক্ষক। আপনাদের কাছে আমাদের থেকে একজন বিএনপি নামধারী হেডমাস্টার যতভাবে ঘুষ নিচ্ছে তার বিস্তারিত তুলে ধরলাম। আপনাদের মাধ্যমে যদি এই তথ্যটি দেশবাসীকে জানিয়ে আমাদের মত অসহায় লোকজনকে আর হয়রানি না হতে হয়। বাগেরহাট জেলার মোরেলগঞ্জ উপজেলার চিংড়াখালী ইউনিয়নের সিংজোর গোপালপুর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে গত বছদ ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনে যোগদান করেছি। আমাদের যোগদানের পর হেডমাস্টার আমাদের ২জন থেকে ১৫ হাজার করে ৩০ হাজার আর সবশেষে গত আমাদের ১জনের থেকে ২২ হাজার টাকা নিছে। আমাদের থেকে আরো বেশি টাকা চাইছিল আমরা অনুরোধ করে কম দিছি। আমরা ৩জন ২ মাস করে ৬মাসের বেতন এখনো পাইনি। এই বকেয়া বেতন তুলতে হেডমাস্টারের থেকে কয়েকটি কাগজপত্র দরকার এখন সে মোটা অংকের টাকা ঘুষ চায়।
কর্মচারীদের প্রমোশন শতভাগ টাকার বিনিময়ে হচ্ছে। ২০০০০০ থেকে ৫০০০০০ টাকায়। এম আর, এডহক নিয়োগে চলছে ৫০০০০০ খেকে ৮০০০০০ টাকায়।
Nid কার্ড করার জন্য গিয়েছিলাম। সেখান কার এক কম্পিউটার দোকানে পিন মারতে যাওয়ার দোকানদার বলে যে nid কার্ড ১ দিনে করে দিবে ৪০০ ০ টাকায় পরে আমি মানা করে দিয়ে সঠিক পদ্ধতিতে বায়োমেট্রিক সম্পন্ন করি
paid the NID name correction bribery for my mother-in-law's NID due to urgent passport renewal. The officer initially demanded 12000 BDT, then after realizing urgency he demanded 3000 BDT more and threatened by saying "if you even go official or unofficial procedure in any other way, it will go through me and I will see how it can be approved." eventually forced to pay in total of 15000 BDT and corrected the NID just within 1 hour after that.
ব্যাংকের হাউজ লোন পাওয়ার জন্য আবেদন করি। কিন্তু নির্দিষ্ট অংকের টাকা ছাড়া হাউজ লোন করে দেয়া সম্ভব না বলে জানায়।হাউস লোনটি আমার খুবই প্রয়োজন, এজন্য আমি শেষমেষ বাধ্য হয়ে টাকা দিয়েছি।
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।