বদলীর জন্য LPC দরকার হয়। সেজন্য সময়ক্ষেপণ করা হয়। কারন জানতে চাইলে ২০০০ টাকা চাওয়া হয়। আমার জরুরি প্রয়োজন বিধায় টাকা দিতে বাধ্য হই।
আমাকে বলা হয়েছিল, অডিট ফেস করার জন্য ভবিষ্যতে লাগবে।
আমার ভ্রমণ ভাতার বিল করতে গিয়ে এই অর্থ দাবি করা হয়। তখন জানতে পারি হিসাবরক্ষণ অফিসে যেকোন বিল করতে বিলের ৫ শতাংশ অর্থ দিতে হয়।
ময়মনসিংহ হিসাব সংরক্ষণ অফিসে ৫% ঘুষ ছাড়া টিএডিএ বিল পাশ করে না। আমাদের সরকারি কর্মকর্তাদের অনেক বিল ৫% টাকা ছাড়া বিল পাশ করে না।
আমার বাবা মারা যাওয়ার পর তাঁর পেনশনের টাকা মায়ের নামে ট্রান্সফার করার জন্য প্রায় ৬–৮ মাস বিভিন্ন জায়গায় ঘোরাঘুরি করেও কাজটি সম্পন্ন করতে পারিনি। পরে নওগাঁর একজন স্থানীয় পরিচিত ব্যক্তিকে সঙ্গে নিয়ে গিয়ে SP অফিসের পেনশন সংক্রান্ত কাজ যিনি দেখেন, তাঁর সঙ্গে কথা বলি এবং পেনশনটি মায়ের নামে ট্রান্সফার করে দেওয়ার জন্য অনুরোধ করি। তিনি কাজটি করে দেওয়ার কথা বললেও পরবর্তীতে এ কাজের জন্য তিনি আর কোনো টাকা নেননি। তবে ট্রেজারি অফিসে ফাইল ছাড়ানোর জন্য প্রায় ২–৩ হাজার টাকা দিতে হয়েছিল। এছাড়া পেনশন বই তোলার সময় আরও প্রায় ১ হাজার টাকা দিতে হয়েছিল বলে মনে আছে।
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।