আমি গতকাল উত্তরা পাসপোর্ট অফিসে , গিয়ে ছিলাম আমার নতুন পাসপোর্ট তৈরি করার জন্য। তারা আমার কাগজ পত্র দেখে সব ঠিক থাকার পরও আমাকে আরো নতুন নতুন কাগজ দেখাতে বলছিল । এগুলা পাসপোর্ট বানাতে কোন প্রয়োজনই নেই । বাহ আবেদনের রিক্রুটমেন্ট নেই। তাও শেষে যখন তারা আমাকে বিভিন্ন কাগজপত্র চেয়ে আটকাতে পারল না । শেষে তারা বলে আমার দাদার জন্ম নিবন্ধন লাগবে । এইটা কোনো কথা। এরা সরাসরি ঘুষ চাইতে পারবেনা বলে এরকমভাবে মানুষদের হয়রানি করে । তারপর আপনি যখন বাহিরে যাবেন তাদের পরিচিত দালালরা আপনাকে জিজ্ঞাসা করবে কি সমস্যা হয়েছে । তখন যদি আপনি বলেন যে এই সমস্যা হয়েছে তখন বলবে যে চলেন আমি ঠিক করে দেই । এই হলো তাদের অবস্থা? সরকারি দায়িত্বশীল লোকদের কাছে আবেদন তারা যেনো বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করে।
আমি একজন স্টুডেন্ট আমি আবেদন করার সময় লেবার সিলেক্ট করি ভুলে এখন নাকি লেবার তার ডকুমেন্টস লাগবে আমার জানা মতে এমন কোন ডকুমেন্টস হয় না এটা তাদের জানালে তারা একটা নাম্বার দেয় এবং তার সাথে যোগাযোগ করতে বলে পরে যোগাযোগ করলে ৩৫০০ টাকা দাবি করে অবশেষে টাকা দিলে পরে আমার পাসপোর্ট এর কগজ এবং ফিঙ্গার নেয়
The police demanded it. Otherwise he was giving me a lot of trouble.
ঘটনাটা এই বছরের নয় গত বছরের। আমার IELTS পরীক্ষার জন্য পাসপোর্টের প্রয়োজন ছিল। অনলাইনে আবেদন সাবমিট করে যেদিন ফিঙ্গার ও ছবি উঠানোর জন্য যাই সেদিন সমস্ত কাগজ ঠিক থাকার পরেও আমাকে ফেরত পাঠানো হয়। পরবর্তীতে আমার পরিচিত একজন আত্মীয়ের মাধ্যমে পাসপোর্ট অফিসের সামনে অবস্থিত কম্পিউটারের দোকানের মাধ্যমে উপরে উল্লেখিত নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা প্রদান করি। পরবর্তীতে জানতে পারি ওখানে অবস্থিত সকল টেক দোকানগুলোর কাজ হলো এটা।
পাসপোর্টের পুলিশ ভেরিফাই করাতে গিয়ে ১০০০ টাকা পুলিশ ঘুস নিছে,,,
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।