বাগেরহাট জেলার চিতলমারী উপজেলায় একটি জমির নামজারি/জমাখারিজ করতে গেলে প্রথমে তহসিল নায়েবকে ১-২০ হাজার টাকা, ভূমি অফিসের কানুনগো, অফিস সহকারী বা অফিস প্রধান, সার্ভেয়ার ও এ্যাসিল্যান্ডকে গুনতে হয় ৩-৩০০০০ টাকা, এরপর ডিসিআর ফি সরকার কর্তৃক ১১০০/- সাথে ভ্যাট ১১/-। তাছাড়া ১৫০ ধারা রিপোর্টে ১০-২০০০০০/- টাকা ঘুষ নেয়। এ উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের কলিগাতী, কলাতলা, চিতলমারী সদর ও চরবানিয়ারী ভূমি অফিসে প্রতিদিন লাখ লাখ টাকার ঘুষ বাণিজ্য হয়। তবে এসব ঘুষ জমির প্রকারভেদে বা জটিলতা দেখিয়ে নেওয়া হয়। এছাড়াও সরকারকে ফাকি দিয়ে প্রতিটি ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা ৫০,০০০/- টাকার দাখিলা ২০০০০/- টাকা ঘুষ নিয়ে ৫০০/- টাকায় সমন্বয় করে সরকারকে ফাকি দিচ্ছে।
টাকা দিলে সমাধান করে দিবে নাতো জমি পাব না, জোর করে দখল করে নিচ্ছে তাও সমাধান করে দিবে না।
বিডিএস জরিপ এর জন্য ১ লক্ষ টাকা চেয়েছিলেন। ৩০০০০/= টাকা দিয়ে কাজ করানো হয়েছে। এভাবে প্রত্যেকের কাছ থেকে টাকা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।
যৌথ বাড়ি নির্মাণ ও নকশা, প্লান পাশ অনুমতি জন্য। বাড়ি নির্মাণ অনুমতি পেতে নামজারিসহ যৌথ নির্মাণ অনুমতি, ভাঙ্গা গড়ার অনুমতি পেতে।
ভূমি কর দিতে আব্বা গিয়েছিল। কিন্তু আমাদের Tax. গত বছরেরই সব পরিশোধ করা হয়েছিল। আব্বা সাধারণ মানুষ। ১০ টাকার একটা স্লিজ বের করে ২০০ টাকা নিয়েছে। গতবছর আমার আব্বাকে বলেছিল মোট ১৪ হাজার টাকা লাগবে। আমি সেই কাহ্জ চলতি বছর ফেব্রুয়ারিতে ৫২৬৫ টাকায় করেছি
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।