বাধ্যতামূলক ঘুষ গ্রহণ: ৩ বছরের একাডেমিক পড়াশোনা শেষ করে জেলা সদর হাসপাতাল এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১ বছরের বাধ্যতামূলক ইন্টার্নশিপ শুরু করার সময় চরম হয়রানির শিকার হতে হয়। পদস্থ কর্মকর্তাদের অনৈতিক দাবি: ইন্টার্নশিপের অনুমতি ও চূড়ান্ত স্বাক্ষরের (Sign) জন্য সিভিল সার্জন (Civil Surgeon) এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা (UH&FPO) সরাসরি টাকার দাবি করেন। নির্দিষ্ট অর্থের হার: ইন্টার্নশিপের ছাড়পত্র ও স্বাক্ষরের বিনিময়ে সিভিল সার্জন ২০০০ টাকা এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ১০০০ টাকা ঘুষ হিসেবে হাতিয়ে নেন। কর্মকর্তাদের অযৌক্তিক অজুহাত: টাকা দাবি করার সময় কর্মকর্তারা অত্যন্ত নির্লজ্জভাবে অজুহাত দেন যে, তারা নিজেরাও এই পদে আসার জন্য অতীতে বিপুল পরিমাণ টাকা খরচ বা "ফুরাইয়ে" এসেছেন।
one Dr. asked 2000 taka for given my father's death certificate :(
রোগী ভর্তি করাতে যেয়ে উনারা বলতেছিলো সিট খালি নেই। পরে একজন আয়াকে ৫০০ টাকা দিতেই উনি ভিতরে গিয়ে নিজে কেমনে কী করে আসলো। সিট পেয়ে গেলাম
Asked for 500 to get me a bed for my son
কিডনি বিভাগে ভর্তি হয়েছি। তারপর ছাড়পত্র আনার সময় ওয়ার্ল্ড বয় চা নাস্তা বাবদ কিছু টাকা দাবি করে।। তারপর তা পরিশোধ করি।
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।