বগুড়া শহরের ফাঁপোড় ইউনিয়নে দীর্ঘদিন ধরে নিজের বাবার সম্পত্তি খারিজ করবার জন্য দীর্ঘদিন ধরে ঘুরতে ঘুরতে ২ জোড়া স্যান্ডেল ক্ষয় করে পরবর্তীতে একজন সহকারী সাইডে ডেকে নিয়ে বললেন, এতো ঘুরতে হবে কেন, মিষ্টি খাওয়ার টাকা দিলে দ্রুতই আপনার কাজ হয়ে যাবে। কোন উপায় না পেয়ে টাকা দিবার সিদ্ধান্ত নিই। বেচারা সহকারী অজু করে এসে বলে,তারাতারি খরচা টা দেন নামাজের সময় পার হয়ে যাচ্ছে। আর আমরা ধার্মিক সহকারী কে ৫.৬৬ শতক জমির খারিজের জন্য ১০০০০(দেশ হাজার টাকা) বুঝিয়া দিয়া রাগে লজ্জায় মাথা নতুন হইয়া চলিয়া আসি।কারণে আমি অন্যায়ের কাছে কখনও মাথা নতুন করি না। বছরটি ছিলো ২০১৮ সাল।
টাকা দিলে সমাধান করে দিবে নাতো জমি পাব না, জোর করে দখল করে নিচ্ছে তাও সমাধান করে দিবে না।
বিডিএস জরিপ এর জন্য ১ লক্ষ টাকা চেয়েছিলেন। ৩০০০০/= টাকা দিয়ে কাজ করানো হয়েছে। এভাবে প্রত্যেকের কাছ থেকে টাকা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।
যৌথ বাড়ি নির্মাণ ও নকশা, প্লান পাশ অনুমতি জন্য। বাড়ি নির্মাণ অনুমতি পেতে নামজারিসহ যৌথ নির্মাণ অনুমতি, ভাঙ্গা গড়ার অনুমতি পেতে।
ভূমি কর দিতে আব্বা গিয়েছিল। কিন্তু আমাদের Tax. গত বছরেরই সব পরিশোধ করা হয়েছিল। আব্বা সাধারণ মানুষ। ১০ টাকার একটা স্লিজ বের করে ২০০ টাকা নিয়েছে। গতবছর আমার আব্বাকে বলেছিল মোট ১৪ হাজার টাকা লাগবে। আমি সেই কাহ্জ চলতি বছর ফেব্রুয়ারিতে ৫২৬৫ টাকায় করেছি
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।