জন্ম নিবন্ধনের তথ্য সংশোধনের জন্য নিয়ম মেনে আবেদন করেছিলাম। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ার পর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি আমাকে বললেন, এগুলো আবার ডিসি অফিসে জমা দিতে হবে। আমি যখন সেখান থেকে চলে আসছিলাম, তখন আমাকে ডেকে বলা হলো, “ফি দিয়ে যান।” আমি জানতে চাইলাম, কত টাকা? তিনি বললেন, ৩০০ টাকা। আমি ৩০০ টাকা পরিশোধ করার পর তিনি আবার বললেন, “আপনি যদি মোট ৫০০ টাকা দেন, তাহলে পুরো কাজটাই আমরা করে দেব।” তখন স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন জাগে, একটি স্বাক্ষরের জন্য যদি ৩০০ টাকা লাগে এবং কাজটা দ্রুত/সম্পূর্ণ করে দেওয়ার জন্য আলাদা করে আরও টাকা দিতে হয়, তাহলে জনগণের সেবার জন্য সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রতিমাসে যে বেতন-ভাতা পান, সেটা আসলে কিসের জন্য? আরও লিখতে চেয়েছিলাম কিন্তু টেক্সট লিমিট এর কারণে সম্ভব হয়নি।
ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে গিয়েছিলাম,,২৬৯১ টাকার রশিদ দিয়েছে,, কিন্তু অতিরিক্ত ৫০০ টাকা দিতে হয়েছে, নইলে কোনভাবেই দিচ্ছিলো না,,টঙ্গী পৌরসভা অফিস
There's unofficial people roaming inside of the DNCC office in Mohakhali who would say it is not possible at first only to make you bribe them.
ট্রেড লাইসেন্সের কাজ অনলাইন ওয়েবসাইট বানায় রাখলেও এসব কাজ অনলাইনে কিছুই হয় না। সব দালাল আর ঘুরে ঘুরে করা লাগে ডিএনসিসি অফিস, ওয়ার্ড নং ২৮ ই '—' নাম এর একজন ঘূষ নিসে ট্রেড লাইসেন্স সাথে করে দিবে আর টাকা না দিলে কাজ করতে ১ সপ্তাহ লাগবে। তাই আমি বাধ্য হয়ে ১০০০ টাকা ঘুষ দেই। ঘুষ দেয়ার সাথে সাথে ১ দিনের মধ্যে ৩-৪ জন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার স্বাক্ষর নিয়ে নেয় এই ব্যাক্তি । এই অফিসে যতজন কাজ করে সবাই নিজের সাথে দালাল রাখে। নিজেরা ভালো মানুষ হয়ে বসে থাকে আর দালাল দিয়ে কাজ চালায়
আমি দোকানের জন্য একটি ট্রেড লাইসেন্স করতে ঢাকা দক্ষিণ সিটির খিলগাঁও, তিলপাড়ায় যাই। সরকারি ফি- 4075 টাকা, কিন্তু তারা দাবি করে- 7000 টাকা। অবশেষে আমি 6000 টাকায় কাজ সম্পন্ন করি।
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।