অনলাইনে পাসপোর্টের আবেদন করে ব্যাংকে টাকা জমা দিয়ে নির্ধারিত তারিখে ওয়েবসাইটে উল্লেখিত কাগজপত্র নিয়ে নির্ধারিত পাসপোর্ট অফিসে যাই। ৩ ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে যখন কাগজ জমা দেওয়ার সময় আসলো, কর্তব্যরত অফিসার বললেন আপনার চারিত্রিক সার্টিফিকেট নাই। জিজ্ঞেস করলাম, এটা কোথায় পাওয়া যায়? বললেন আপনার এলাকার কমিশনার দিবে। বললাম, এখন গিয়ে নিয়ে আসতে তো সময় লাগবে। উনি বললেন, চা নাস্তা বাবদ কিছু টাকা দেন, আমি ম্যানেজ করে দিচ্ছি। জিজ্ঞেস করলাম, কত? বললেন, ২ হাজার! বললাম, টাকা দিলে যেহেতু করে দিতে পারবেন, তাহলে এমনিতেও করে দিতে পারবেন। কাইন্ডলি করে দেন না। আমি টাকা দিতে পারবোনা। উনি কাগজ ছুঁড়ে মেরে বললেন, যান! সার্টিফিকেট নিয়ে আসেন! কাগজে ঝামেলা আছে।
আমি একজন স্টুডেন্ট আমি আবেদন করার সময় লেবার সিলেক্ট করি ভুলে এখন নাকি লেবার তার ডকুমেন্টস লাগবে আমার জানা মতে এমন কোন ডকুমেন্টস হয় না এটা তাদের জানালে তারা একটা নাম্বার দেয় এবং তার সাথে যোগাযোগ করতে বলে পরে যোগাযোগ করলে ৩৫০০ টাকা দাবি করে অবশেষে টাকা দিলে পরে আমার পাসপোর্ট এর কগজ এবং ফিঙ্গার নেয়
The police demanded it. Otherwise he was giving me a lot of trouble.
ঘটনাটা এই বছরের নয় গত বছরের। আমার IELTS পরীক্ষার জন্য পাসপোর্টের প্রয়োজন ছিল। অনলাইনে আবেদন সাবমিট করে যেদিন ফিঙ্গার ও ছবি উঠানোর জন্য যাই সেদিন সমস্ত কাগজ ঠিক থাকার পরেও আমাকে ফেরত পাঠানো হয়। পরবর্তীতে আমার পরিচিত একজন আত্মীয়ের মাধ্যমে পাসপোর্ট অফিসের সামনে অবস্থিত কম্পিউটারের দোকানের মাধ্যমে উপরে উল্লেখিত নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা প্রদান করি। পরবর্তীতে জানতে পারি ওখানে অবস্থিত সকল টেক দোকানগুলোর কাজ হলো এটা।
পাসপোর্টের পুলিশ ভেরিফাই করাতে গিয়ে ১০০০ টাকা পুলিশ ঘুস নিছে,,,
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।