আমি একজন ব্যবসায়ী, আমি ট্রাভেল ইন্ডাস্ট্রির সাথে জড়িত, দুঃখের বিষয় হচ্ছে একজন মানুষ নাগরিক অধিকার হিসেবে খুব সহজেই পাসপোর্ট করার অধিকার রাখে কিন্তু পাসপোর্ট অফিসের কর্মরত কর্মচারীদের ঘুষের সিস্টেমের কারণে এ কাজটি সহজে হয় না, উনারা এমন ভাবে পদ্ধতি গুলো রাখছে যা একটা মানুষের জন্য খুবই দুঃখ জনক যেমন উনারা যেসব দালাল মার্কেটে সেট করে রেখেছে উনাদের কাছ থেকে একটা ইউনিক ক নিতে হবে অথবা ওই দালালরা পাসপোর্ট এর টাকা জমা দেওয়ার সামারি কপি সরাসরি পাসপোর্ট এর কর্মকর্তাদেরকে পৌঁছে দেন,উনাদের হাতে পাওয়া ওইসব পাসপোর্ট যদি জমা দেওয়ার জন্য যায় তাহলে কোন কথাবার্তা ছাড়াই পাসপোর্ট জমা করে নেন যদি ভুলে থাকে তাও কোন সমস্যা না আর এটার বাইরে যদি কেউ জমা দিতে যায় তাকে হাজার রকমের প্রশ্ন হাজার রকমের হয়রানি
আমি একজন স্টুডেন্ট আমি আবেদন করার সময় লেবার সিলেক্ট করি ভুলে এখন নাকি লেবার তার ডকুমেন্টস লাগবে আমার জানা মতে এমন কোন ডকুমেন্টস হয় না এটা তাদের জানালে তারা একটা নাম্বার দেয় এবং তার সাথে যোগাযোগ করতে বলে পরে যোগাযোগ করলে ৩৫০০ টাকা দাবি করে অবশেষে টাকা দিলে পরে আমার পাসপোর্ট এর কগজ এবং ফিঙ্গার নেয়
The police demanded it. Otherwise he was giving me a lot of trouble.
ঘটনাটা এই বছরের নয় গত বছরের। আমার IELTS পরীক্ষার জন্য পাসপোর্টের প্রয়োজন ছিল। অনলাইনে আবেদন সাবমিট করে যেদিন ফিঙ্গার ও ছবি উঠানোর জন্য যাই সেদিন সমস্ত কাগজ ঠিক থাকার পরেও আমাকে ফেরত পাঠানো হয়। পরবর্তীতে আমার পরিচিত একজন আত্মীয়ের মাধ্যমে পাসপোর্ট অফিসের সামনে অবস্থিত কম্পিউটারের দোকানের মাধ্যমে উপরে উল্লেখিত নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা প্রদান করি। পরবর্তীতে জানতে পারি ওখানে অবস্থিত সকল টেক দোকানগুলোর কাজ হলো এটা।
পাসপোর্টের পুলিশ ভেরিফাই করাতে গিয়ে ১০০০ টাকা পুলিশ ঘুস নিছে,,,
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।