গোপালগঞ্জ পাসপোর্ট অফিসে আবেদনপত্র জমা দেবার সময়, তারা একসেপ্টই করছিল না, এটা সেটা ভুল ধরতেছিল। প্রথমে বলে কিউ আর কোড ভুল আছে,। আমি বললাম এটা তো অনলাইনে সংয়ক্রিয় তৈরি হয়েছে আমার তথ্যে কোন ভুল থাকলে সেটা বলুন। তারপর জিমেইল অ্যাড্রেসে ভুল ধরেছিল। সেটা ফোন খুলে দেখিয়েছি যে এটাই আমার জিমেইল অ্যাড্রেস। বহুৎ বাগবিতণ্ডা করার পর আমার অরিজিনাল স্মার্ট কার্ড থাকা সত্ত্বেও বলে অনলাইন কপি লাগবে। অতবর বের হবার সময় ডিউটিরত পুলিশ (কনস্টেবল) সদস্য আমাকে ডেকে জিজ্ঞেস করে, তাকে সবটা বলতেই বলে ২০০০ টাকা দিলে ওসব কিছুই লাগবে না। তারা নাকি কাগজ জমা দিয়ে দিতে পারবে। আমি রাজি হই নি। অনলাইন কপি বের করে জমা দিয়ে কাজটা করাই। কিন্তু কিছুদিন পর আমার ভাইয়ের পাসপোর্ট করতে গেলে ভুল ধরে ২০০০ টাকা ঘুষ দিতে বাধ্য করায়।🥲
আমি একজন স্টুডেন্ট আমি আবেদন করার সময় লেবার সিলেক্ট করি ভুলে এখন নাকি লেবার তার ডকুমেন্টস লাগবে আমার জানা মতে এমন কোন ডকুমেন্টস হয় না এটা তাদের জানালে তারা একটা নাম্বার দেয় এবং তার সাথে যোগাযোগ করতে বলে পরে যোগাযোগ করলে ৩৫০০ টাকা দাবি করে অবশেষে টাকা দিলে পরে আমার পাসপোর্ট এর কগজ এবং ফিঙ্গার নেয়
The police demanded it. Otherwise he was giving me a lot of trouble.
ঘটনাটা এই বছরের নয় গত বছরের। আমার IELTS পরীক্ষার জন্য পাসপোর্টের প্রয়োজন ছিল। অনলাইনে আবেদন সাবমিট করে যেদিন ফিঙ্গার ও ছবি উঠানোর জন্য যাই সেদিন সমস্ত কাগজ ঠিক থাকার পরেও আমাকে ফেরত পাঠানো হয়। পরবর্তীতে আমার পরিচিত একজন আত্মীয়ের মাধ্যমে পাসপোর্ট অফিসের সামনে অবস্থিত কম্পিউটারের দোকানের মাধ্যমে উপরে উল্লেখিত নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা প্রদান করি। পরবর্তীতে জানতে পারি ওখানে অবস্থিত সকল টেক দোকানগুলোর কাজ হলো এটা।
পাসপোর্টের পুলিশ ভেরিফাই করাতে গিয়ে ১০০০ টাকা পুলিশ ঘুস নিছে,,,
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।