অনলাইনে আবেদন করার পর স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় এই ভূমি অফিস (বাগমারা ইউনিয়ন ভূমি অফিস) থেকে প্রস্তাব করা হয়না। প্রতিটি আবেদনের কমপক্ষে ২০০০ টাকা প্রদান করলে তবেই প্রস্তাব দেওয়া হয়। এখানে টাকা লেনদেনের বিষয়টি উপজেলা ভূমি অফিসের কর্মচারীরাও যুক্ত আছেন। আমি এটাও নিশ্চিত পূর্বে কর্মরত সহকারী কমিশনার (ভূমি) কোন আর্থিক লেনদেন করতেন না এবং বর্তমানে যিনি আছেন তিনিও এগুলোর সাথে জড়িত নয়। তবে উনার অবগত আছে এই বিষয়টি। দেড় বছর পূর্বে উপজেলা ভূমি অফিস, লালমাই, এর সকল কর্মচারী+বাগমারা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কিছু সংখ্যক কর্মচারীকে এই দায়ে বদলি করা হয়েছিল। আর্থিক লেনদেনর বিষয়টির প্রমাণ প্রতিটি কর্মচারী যে সংকেতের মাধ্যমে চিনে থাকেন সেটি হলো, যে কাজ নিবে ফাইলের পিছনের ঐ ব্যক্তি বা অফিসের নাম লিখে দেন।
টাকা দিলে সমাধান করে দিবে নাতো জমি পাব না, জোর করে দখল করে নিচ্ছে তাও সমাধান করে দিবে না।
বিডিএস জরিপ এর জন্য ১ লক্ষ টাকা চেয়েছিলেন। ৩০০০০/= টাকা দিয়ে কাজ করানো হয়েছে। এভাবে প্রত্যেকের কাছ থেকে টাকা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।
যৌথ বাড়ি নির্মাণ ও নকশা, প্লান পাশ অনুমতি জন্য। বাড়ি নির্মাণ অনুমতি পেতে নামজারিসহ যৌথ নির্মাণ অনুমতি, ভাঙ্গা গড়ার অনুমতি পেতে।
ভূমি কর দিতে আব্বা গিয়েছিল। কিন্তু আমাদের Tax. গত বছরেরই সব পরিশোধ করা হয়েছিল। আব্বা সাধারণ মানুষ। ১০ টাকার একটা স্লিজ বের করে ২০০ টাকা নিয়েছে। গতবছর আমার আব্বাকে বলেছিল মোট ১৪ হাজার টাকা লাগবে। আমি সেই কাহ্জ চলতি বছর ফেব্রুয়ারিতে ৫২৬৫ টাকায় করেছি
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।