আমি নতুন সৌদি আরবে আসবো, আত্মীয়দের মাধ্যমে একটা ভিসা পাইছিলাম,, আত্মীয় বলল পাসপোর্ট করার জন্য, আমি পাসপোর্ট অফিসে গেলাম আমার কিছু ডকুমেন্ট চাইলো,কিন্তু ডকুমেন্ট বাইরের মানুষের মাধ্যমে নেয়া হলো,, অন্য এক দালাল বানায় দেবে, তারপর ডকুমেন্ট গ্রহণ করা হবে,, আমার ডকুমেন্টটা একসেপ্ট হলো না,, তারপর দালালের কাছে গেলাম,, দালাল বলল ৫০০০ টাকা লাগবে,, আমার হাতে সময় ছিল না,, আমি বাধ্য হয়ে দালালকে 5000 টাকা দিলাম,,, তারপর পুলিশ ভেরিফিকেশন হলো,,, পুলিশ ভেরিফিকেশন এর সময়,, পুলিশ আমাকে ফোন দিয়ে বলল আপনি কি পাসপোর্ট করতে দিছেন,,, আমি বললাম জি স্যার আমি পাসপোর্ট করতে দিছি,, তারপর উনি আমার সাথে দেখা করার কথা বলব, আমি দেখা করলাম, আমার কাছে ২০০০ টাকা চাইলো,,, আমি অন্য এক অনুরোধ -করে,৮০০ টাকায় মিটালাম,,
আমি একজন স্টুডেন্ট আমি আবেদন করার সময় লেবার সিলেক্ট করি ভুলে এখন নাকি লেবার তার ডকুমেন্টস লাগবে আমার জানা মতে এমন কোন ডকুমেন্টস হয় না এটা তাদের জানালে তারা একটা নাম্বার দেয় এবং তার সাথে যোগাযোগ করতে বলে পরে যোগাযোগ করলে ৩৫০০ টাকা দাবি করে অবশেষে টাকা দিলে পরে আমার পাসপোর্ট এর কগজ এবং ফিঙ্গার নেয়
The police demanded it. Otherwise he was giving me a lot of trouble.
ঘটনাটা এই বছরের নয় গত বছরের। আমার IELTS পরীক্ষার জন্য পাসপোর্টের প্রয়োজন ছিল। অনলাইনে আবেদন সাবমিট করে যেদিন ফিঙ্গার ও ছবি উঠানোর জন্য যাই সেদিন সমস্ত কাগজ ঠিক থাকার পরেও আমাকে ফেরত পাঠানো হয়। পরবর্তীতে আমার পরিচিত একজন আত্মীয়ের মাধ্যমে পাসপোর্ট অফিসের সামনে অবস্থিত কম্পিউটারের দোকানের মাধ্যমে উপরে উল্লেখিত নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা প্রদান করি। পরবর্তীতে জানতে পারি ওখানে অবস্থিত সকল টেক দোকানগুলোর কাজ হলো এটা।
পাসপোর্টের পুলিশ ভেরিফাই করাতে গিয়ে ১০০০ টাকা পুলিশ ঘুস নিছে,,,
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।