আমি আমার আব্বুর ও চাচুর নামে জমি অনলাইনে নামজারি করতে দিয়েছি। কিন্তু ২০-২৫ দিন পার হওয়ার পরেও তারা উক্ত অনলাইনের আবেদন পেন্ডিং রেখে দিয়েছে। পরে গ্রামের কয়েকজন এর সাথে কথা বলে জানতে পারলাম যে উক্ত কাগজ আবার উপজেলা ভূমি অফিসে জমা দিতে হবে। তাই গেলাম দিতে। ওখানে গিয়ে কাগজ জমা দেওয়ার সময় অফিসের করনিক ২০০ টাকা চাই। আমি বললাম রসিদ দিন টাকা দেব। তখন তিনি বললেন রশিদ দেওয়া যাবে না। কি করবো শেষমেষ আমি টাকা দিতে বাধ্য হলাম। কারন ঐ দিন ছাড়া অন্যদিন কাগজ জমা দেওয়ার মতো সময় ছিলো না।কারন আমাকে ঢাকাতে ব্যাক করতে হবে। তাই ২০০ এর যায়গায় দরকশাকাশি করে ১০০ দিয়ে আসলাম।
টাকা দিলে সমাধান করে দিবে নাতো জমি পাব না, জোর করে দখল করে নিচ্ছে তাও সমাধান করে দিবে না।
বিডিএস জরিপ এর জন্য ১ লক্ষ টাকা চেয়েছিলেন। ৩০০০০/= টাকা দিয়ে কাজ করানো হয়েছে। এভাবে প্রত্যেকের কাছ থেকে টাকা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।
যৌথ বাড়ি নির্মাণ ও নকশা, প্লান পাশ অনুমতি জন্য। বাড়ি নির্মাণ অনুমতি পেতে নামজারিসহ যৌথ নির্মাণ অনুমতি, ভাঙ্গা গড়ার অনুমতি পেতে।
ভূমি কর দিতে আব্বা গিয়েছিল। কিন্তু আমাদের Tax. গত বছরেরই সব পরিশোধ করা হয়েছিল। আব্বা সাধারণ মানুষ। ১০ টাকার একটা স্লিজ বের করে ২০০ টাকা নিয়েছে। গতবছর আমার আব্বাকে বলেছিল মোট ১৪ হাজার টাকা লাগবে। আমি সেই কাহ্জ চলতি বছর ফেব্রুয়ারিতে ৫২৬৫ টাকায় করেছি
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।