আমার দোকানে প্রতি মাসে বেড বাবদ সরকারিভাবে জমা দিতে হয় ১০ হাজার টাকা তাকে দিতে হয় ৮ হাজার টাকা মোট ১৮ হাজার টাকা দিতে হয় । কিন্তু আমি সেটা না দিয়ে পুরাটাই সরকারি দপ্তরে জমা দিতে চাই বিদায় তার সে আমার দোকানের নামে মামলা করে দে। সে মামলা সে মামলা নিষ্পত্তি করতে গিয়ে আমি যখন উকিল দরি। উকিলের মারফতে নগর ভবনের সাত তলায় তার অফিসে আমাকে ডেকে নিয়ে যায় এবং ডেকে নিয়ে সে আমার কাছ থেকে এই মামলার নিষ্পত্তির জন্য ম্যাজিস্ট্রেট ৭ লক্ষ টাকা দাবি করে । পরবর্তীতে উকিলের উপস্থিতিতে অনেক দর কষাকষি করে ৬ লক্ষ টাকা দিয়ে এই মামলা থেকে আমি বের হয়ে আসি।অর্থাৎ ঢাকা শহরে আমি চাইলেও সঠিকভাবে আয়কর দিয়ে পরিদর্শকদের কোন টাকা না দিয়ে কোন প্রকার দোকান করতে পারি না।
ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে গিয়েছিলাম,,২৬৯১ টাকার রশিদ দিয়েছে,, কিন্তু অতিরিক্ত ৫০০ টাকা দিতে হয়েছে, নইলে কোনভাবেই দিচ্ছিলো না,,টঙ্গী পৌরসভা অফিস
There's unofficial people roaming inside of the DNCC office in Mohakhali who would say it is not possible at first only to make you bribe them.
ট্রেড লাইসেন্সের কাজ অনলাইন ওয়েবসাইট বানায় রাখলেও এসব কাজ অনলাইনে কিছুই হয় না। সব দালাল আর ঘুরে ঘুরে করা লাগে ডিএনসিসি অফিস, ওয়ার্ড নং ২৮ ই '—' নাম এর একজন ঘূষ নিসে ট্রেড লাইসেন্স সাথে করে দিবে আর টাকা না দিলে কাজ করতে ১ সপ্তাহ লাগবে। তাই আমি বাধ্য হয়ে ১০০০ টাকা ঘুষ দেই। ঘুষ দেয়ার সাথে সাথে ১ দিনের মধ্যে ৩-৪ জন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার স্বাক্ষর নিয়ে নেয় এই ব্যাক্তি । এই অফিসে যতজন কাজ করে সবাই নিজের সাথে দালাল রাখে। নিজেরা ভালো মানুষ হয়ে বসে থাকে আর দালাল দিয়ে কাজ চালায়
আমি দোকানের জন্য একটি ট্রেড লাইসেন্স করতে ঢাকা দক্ষিণ সিটির খিলগাঁও, তিলপাড়ায় যাই। সরকারি ফি- 4075 টাকা, কিন্তু তারা দাবি করে- 7000 টাকা। অবশেষে আমি 6000 টাকায় কাজ সম্পন্ন করি।
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।