নাম জারি খতিয়ানের অনলাইন আবেদন ডৌহাখলা ভুমি অফিসে জমা দিয়ে ১ সপ্তাহ পর গত১৮ আগস্ট উপজেলা অফিসে গিয়ে অগ্রগতি জানতে চাইলে।অফিস সহায়ক আমাকে বলেন সার্ভার সমস্যা। জেলা অফিস থেকে করতে হবে। ৩ মাস সময় লাগবে। আমি জুরুরি বল্লে তখন তিনি বলেন তাহলে এটা ঢাকা মন্ত্রনালয় থেকে করে আনতে হবে।২০-২৫ দিন সময় লাগবে।অবশ্য তিনি তখন আমাকে বলেন তিনি এসি ল্যন্ড অফিসে আছেন। আমি গুরুত্ব দিলে তিনি প্রথমে ১২ হাজার টাকা দাবি করেন। এরপর ১০ হাজার। কিন্তু আমি রাজি হয়নি।
টাকা দিলে সমাধান করে দিবে নাতো জমি পাব না, জোর করে দখল করে নিচ্ছে তাও সমাধান করে দিবে না।
বিডিএস জরিপ এর জন্য ১ লক্ষ টাকা চেয়েছিলেন। ৩০০০০/= টাকা দিয়ে কাজ করানো হয়েছে। এভাবে প্রত্যেকের কাছ থেকে টাকা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।
যৌথ বাড়ি নির্মাণ ও নকশা, প্লান পাশ অনুমতি জন্য। বাড়ি নির্মাণ অনুমতি পেতে নামজারিসহ যৌথ নির্মাণ অনুমতি, ভাঙ্গা গড়ার অনুমতি পেতে।
ভূমি কর দিতে আব্বা গিয়েছিল। কিন্তু আমাদের Tax. গত বছরেরই সব পরিশোধ করা হয়েছিল। আব্বা সাধারণ মানুষ। ১০ টাকার একটা স্লিজ বের করে ২০০ টাকা নিয়েছে। গতবছর আমার আব্বাকে বলেছিল মোট ১৪ হাজার টাকা লাগবে। আমি সেই কাহ্জ চলতি বছর ফেব্রুয়ারিতে ৫২৬৫ টাকায় করেছি
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।