আমি গত জুলাই মাসে কেদারপুর গ্রামে একটি জমি ক্রয় করতে চাই। সাব রেজিস্ট্রার ও দলিল লেখক সকল কাগজপত্র যাচাই করে নতুন দলিল প্রস্তুত করেন কিন্তু সি এস খতিয়ান এ দাতার ফুফুর পিতার নাম ভুল থাকায় আবার নামের এভিডেভিড করতে বলেন আমরা সেটা ঠিক করে আনি এবং সাব রেজিস্ট্রার কে দেখাই সে সারাদিন বসিয়ে রেখে গত ২৩ আগস্ট বলেন এতকিছুর করার দরকার ছিল না অন্য রাস্তা খোলা আছে তখন আমরা বুঝতে পারি সে টাকা ছাড়া কাজ করবে না সে আরো ঘুরাতে থাকে এক পর্যায়ে তাকে ৭৫ হাজার টাকা ঘুষ দিয়ে গতকাল ২৫ আগস্ট জমিটি রেজিষ্ট্রি করেছি। এই সাব রেজিস্ট্রার ২০২১ সালে ২ এপ্রিল কক্সবাজার এর চকরিয়ায় ঘুষের ৬ লাখ টাকা সহ দুদকের অভিযানে ধরা পড়ে এবং জেল খাটেন। আমার প্রশ্ন এই জানোয়ার আবার চাকরি ফিরে পেল কি করে। এর নাম —
If u pay process is fast and smooth. Otherwise file gets prolonged.
জমি রেজিস্ট্রেশন করার পরে নামজারী করতে আফতাব নগর ভূমি অফিস এ গিয়েছিলাম, সরকারি ফ্র্রি ১১০০ টাকা করে ২২০০ টাকা তারা প্রথম এ ২৫০০০০ টাকা দাবি করে, কোনো উপায় না দেখে আমরা ২০০, ০০০ টাকা রাজি হয়। এতো টাকা দিয়ে কোথাও নামজারী কেউ করসে কি না জানা নাই। বাড্ডা আফতাব নগর ভূমি অফিস যেনো ঘুষ এর রাজ্যে।
আমার জমি এর দলিল এর সংশোধন এর জন্য কোর্ট থেকে আদেশ দেওয়া হয়েছিল। যথাযথ প্রসিডিউর (!) ফলো করে রেজিস্ট্রি অফিসে পাঠানো হয়। যিনি নকল বানাবেন উনি অতিরিক্ত চার্জ চান। আমি নেগোশিয়েশন করে একটু কম ধার্য করি। কাজ শুরুর আগে প্রায় অর্ধেক অ্যাডভান্স করার লাগে। কাজ শেষে বাকিটুকু দেই। না দিলে কাজ হত না এটা বলছি না। যেটা ২ সপ্তাহ লেগেছে সেটা হয়ত ৬ মাস বা তার বেশি লাগত।
আমার বাবা, আমার চাচার কাছ থেকে জমি কিনেছিলো, কিন্তু রেজিস্ট্রি করা হয়েছিল না, অল্প সময়ের ব্যবধানে বাবা মারা যান, বাবা মারা যাওয়ার পর, জমির সব নাম অনলাইন করার জন্য সরকার থেকে তাগাদা দিল, তখন চাচা বললো যে এই সুযোগে তোদের দুই ভাই এর নাম রেজিস্ট্রিকরে নে, তো রেজিস্ট্রি করতে গিয়ে চার নামের বানান ভুল ধরা পরে, আর সেই ভুল শোধরানোর জন্য আমাদের অতিরিক্ত 12000 টাকা চাওয়া হয়
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।