আমার বাবা আমাকে ১ শতকের কম জায়গা হেবা দলিল করে আমাকে দিতে চেয়েছিলো ২০২১ সালে ডিসেম্বরে তখন দলিল লেখক সহ সাব রেজিস্ট্রি অফিসের দুই জন সরাসরি বলল ৪৩০০০ টাকা লাগবে। আমি বললাম কেনো? বলল এটাই রেট, আমি বললাম সঠিক রেট তো মাত্র ২/৩ হাজার টাকার মতো এত চাচ্ছেন কেনো? ওরা বলল রেজিস্ট্রার সাহেবের নির্দেশ মৌজা অনুযায়ী দরদাম হয় ঐটার মূল্যে টাকা দিতে হবে। আমি অস্বীকৃতি জানাই ওরা বলে কেউ ই ৪৩০০০ এর নিচে করবে না। পরে আমার বিশ্ববিদ্যালয়ের ছোটো ভাইয়ের পরিচিত দলিল লেখকদের সাধারণ সম্পাদক উনি বলল তুমি আমাদের ছোটো ভাই ১৫০০০ দেও করে দেই। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত দেন দরবার করে হয়রানি হয়ে করলাম ১৫০০০ দিয়েই।
If u pay process is fast and smooth. Otherwise file gets prolonged.
জমি রেজিস্ট্রেশন করার পরে নামজারী করতে আফতাব নগর ভূমি অফিস এ গিয়েছিলাম, সরকারি ফ্র্রি ১১০০ টাকা করে ২২০০ টাকা তারা প্রথম এ ২৫০০০০ টাকা দাবি করে, কোনো উপায় না দেখে আমরা ২০০, ০০০ টাকা রাজি হয়। এতো টাকা দিয়ে কোথাও নামজারী কেউ করসে কি না জানা নাই। বাড্ডা আফতাব নগর ভূমি অফিস যেনো ঘুষ এর রাজ্যে।
আমার জমি এর দলিল এর সংশোধন এর জন্য কোর্ট থেকে আদেশ দেওয়া হয়েছিল। যথাযথ প্রসিডিউর (!) ফলো করে রেজিস্ট্রি অফিসে পাঠানো হয়। যিনি নকল বানাবেন উনি অতিরিক্ত চার্জ চান। আমি নেগোশিয়েশন করে একটু কম ধার্য করি। কাজ শুরুর আগে প্রায় অর্ধেক অ্যাডভান্স করার লাগে। কাজ শেষে বাকিটুকু দেই। না দিলে কাজ হত না এটা বলছি না। যেটা ২ সপ্তাহ লেগেছে সেটা হয়ত ৬ মাস বা তার বেশি লাগত।
আমার বাবা, আমার চাচার কাছ থেকে জমি কিনেছিলো, কিন্তু রেজিস্ট্রি করা হয়েছিল না, অল্প সময়ের ব্যবধানে বাবা মারা যান, বাবা মারা যাওয়ার পর, জমির সব নাম অনলাইন করার জন্য সরকার থেকে তাগাদা দিল, তখন চাচা বললো যে এই সুযোগে তোদের দুই ভাই এর নাম রেজিস্ট্রিকরে নে, তো রেজিস্ট্রি করতে গিয়ে চার নামের বানান ভুল ধরা পরে, আর সেই ভুল শোধরানোর জন্য আমাদের অতিরিক্ত 12000 টাকা চাওয়া হয়
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।