উল্লেখিত কাগজ এবং সেবা পেতে সরকারি পাওনা দেওয়া লাগে ১০.৫০x৩ টাকা অর্থাৎ ৩১.৫০ টাকা। কাগজ আসার পর সরকারের পক্ষ হতে বিনামূল্যে প্রিন্ট দিয়ে দ্বায়িত্ব রত সচিব এর কাছ থেকে সই নিয়ে গ্রহিতার কাছে হস্তান্তর করা হয়। তবে আমার ক্ষেত্রে যা ঘটেছে তা হলো, কাউন্সিলর অফিসে গিয়ে আবেদন করতেই আমার কাছ থেকে নিয়েছে ১৫০ টাকা, কাগজ তৈরী হয়ে আসার পর নিয়েছে ২০০ টাকা, নতুন ভোটার ফাইল এ সচিবের স্বাক্ষর বাবদ নিয়েছে ২০০ টাকা, এমনিতে চা খরচ বাবদ পিওন নিয়েছে ৫০ টাকা। এখানে উল্লেখ্য যে, এই স্বাক্ষর পেতে এত খরচ হওয়ার কোনো নিয়ম নেই, সরকার এর পক্ষ হতে এই সেবা আমরা ৩১.৫০ টাকায় পাওয়ার হকদার। দিনশেষে, ৩১.৫০ টাকায় যে সেবা আমার সরকারের পক্ষ থেকে পাওয়ার কথা, সেটা পেতে আমার খরচ করতে হয়েছে ৬০০ টাকারও বেশি।
ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে গিয়েছিলাম,,২৬৯১ টাকার রশিদ দিয়েছে,, কিন্তু অতিরিক্ত ৫০০ টাকা দিতে হয়েছে, নইলে কোনভাবেই দিচ্ছিলো না,,টঙ্গী পৌরসভা অফিস
There's unofficial people roaming inside of the DNCC office in Mohakhali who would say it is not possible at first only to make you bribe them.
ট্রেড লাইসেন্সের কাজ অনলাইন ওয়েবসাইট বানায় রাখলেও এসব কাজ অনলাইনে কিছুই হয় না। সব দালাল আর ঘুরে ঘুরে করা লাগে ডিএনসিসি অফিস, ওয়ার্ড নং ২৮ ই '—' নাম এর একজন ঘূষ নিসে ট্রেড লাইসেন্স সাথে করে দিবে আর টাকা না দিলে কাজ করতে ১ সপ্তাহ লাগবে। তাই আমি বাধ্য হয়ে ১০০০ টাকা ঘুষ দেই। ঘুষ দেয়ার সাথে সাথে ১ দিনের মধ্যে ৩-৪ জন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার স্বাক্ষর নিয়ে নেয় এই ব্যাক্তি । এই অফিসে যতজন কাজ করে সবাই নিজের সাথে দালাল রাখে। নিজেরা ভালো মানুষ হয়ে বসে থাকে আর দালাল দিয়ে কাজ চালায়
আমি দোকানের জন্য একটি ট্রেড লাইসেন্স করতে ঢাকা দক্ষিণ সিটির খিলগাঁও, তিলপাড়ায় যাই। সরকারি ফি- 4075 টাকা, কিন্তু তারা দাবি করে- 7000 টাকা। অবশেষে আমি 6000 টাকায় কাজ সম্পন্ন করি।
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।