কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার মুন্সির হাট ইউনিয়ন ভূমি অফিসের — (মোবা: —) ৫-৬ বছর যাবত অফিস সহায়ক পদে কর্মরত আছেন। তার মুন্সির হাট বাজারে টেকনিক কম্পিউটার নামে একটি কম্পিউটার দোকান রয়েছে। সেখানে বসে খাজনা রশিদ কাটেন, খারিজের আবেদন করান, পাবলিক এর সাথে খারিজের কাজ চুক্তিতে করেন বলে জানা গেছে, প্রতি খারিজে ৮০০০ থেকে ৯০০০ টাকা নেন। তিনি মুন্সির হাট এলাকার ভূমি অফিসের লোক হিসেবে স্থানীয় ভূমি ক্রয়/বিক্রয় দালাল ও লাঠিয়াল চক্রের সাথে জড়িত। দীর্ঘদিন এই অফিসে চাকরির সুবাদে তাকে ছাড়া এই অফিসে কাজ আদায় করে নেওয়া দুরহ ব্যাপার।
টাকা দিলে সমাধান করে দিবে নাতো জমি পাব না, জোর করে দখল করে নিচ্ছে তাও সমাধান করে দিবে না।
বিডিএস জরিপ এর জন্য ১ লক্ষ টাকা চেয়েছিলেন। ৩০০০০/= টাকা দিয়ে কাজ করানো হয়েছে। এভাবে প্রত্যেকের কাছ থেকে টাকা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।
যৌথ বাড়ি নির্মাণ ও নকশা, প্লান পাশ অনুমতি জন্য। বাড়ি নির্মাণ অনুমতি পেতে নামজারিসহ যৌথ নির্মাণ অনুমতি, ভাঙ্গা গড়ার অনুমতি পেতে।
ভূমি কর দিতে আব্বা গিয়েছিল। কিন্তু আমাদের Tax. গত বছরেরই সব পরিশোধ করা হয়েছিল। আব্বা সাধারণ মানুষ। ১০ টাকার একটা স্লিজ বের করে ২০০ টাকা নিয়েছে। গতবছর আমার আব্বাকে বলেছিল মোট ১৪ হাজার টাকা লাগবে। আমি সেই কাহ্জ চলতি বছর ফেব্রুয়ারিতে ৫২৬৫ টাকায় করেছি
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।