ভূমির খাজনার রশিদ প্রয়োজন ছিল। খাজনা পরিষদ করেছি মাত্র ষাট টাকা তবে ঘুষ দিতে হয়েছে ১৫০০ টাকা এই হচ্ছে দেশের অবস্থা। রাজউকে আরো ভয়াবহ অবস্থা। ভবন নির্মাণের প্লান পাশ আনতে গেলেই দশ থেকে ২০ লক্ষ টাকা ঘুষ দিতে হয় এই টাকা চেয়ারম্যান থেকে শুরু করে প্রত্যেকের পকেটে যায়। অপশনে রাজউক সংস্থা টিকে যুক্ত করুন। রাজউকের দুর্নীতি আরো ভয়াবহ, প্রত্যেকটি আবাসন কোম্পানি থেকে তারা মাসে কোটি কোটি শতকোটি টাকা ইনকাম করে।
টাকা দিলে সমাধান করে দিবে নাতো জমি পাব না, জোর করে দখল করে নিচ্ছে তাও সমাধান করে দিবে না।
বিডিএস জরিপ এর জন্য ১ লক্ষ টাকা চেয়েছিলেন। ৩০০০০/= টাকা দিয়ে কাজ করানো হয়েছে। এভাবে প্রত্যেকের কাছ থেকে টাকা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।
যৌথ বাড়ি নির্মাণ ও নকশা, প্লান পাশ অনুমতি জন্য। বাড়ি নির্মাণ অনুমতি পেতে নামজারিসহ যৌথ নির্মাণ অনুমতি, ভাঙ্গা গড়ার অনুমতি পেতে।
ভূমি কর দিতে আব্বা গিয়েছিল। কিন্তু আমাদের Tax. গত বছরেরই সব পরিশোধ করা হয়েছিল। আব্বা সাধারণ মানুষ। ১০ টাকার একটা স্লিজ বের করে ২০০ টাকা নিয়েছে। গতবছর আমার আব্বাকে বলেছিল মোট ১৪ হাজার টাকা লাগবে। আমি সেই কাহ্জ চলতি বছর ফেব্রুয়ারিতে ৫২৬৫ টাকায় করেছি
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।