সাবরেজিস্টার টাকা খেয়ে প্রকৃত মালিকের জমি আরেকজনের নামের লিখে দেই, ভূমি কমিশনার স্যার বারবার এই সমস্যার সমাধান করে দেওয়ার পরও,মুখোশ পরা সাব রেজিস্টার 'রা নতুনভাবে সমস্যা সৃষ্টি করে ফেলে, শেষ পর্যন্ত জমি নিজের দখলেই আনার জন্য বাধ্য হয়ে চার লক্ষ টাকা ঘুষ দেওয়া লাগছে, ভূমি অফিসে যারা পিয়ন আছে তারা আরো বেশি ভয়ংকর তারা কোন কাজ টাকার বিনিময় ছাড়া করতে চায় না। একটা ছোট কাজ, খতিয়ান ঠিক করার মত ছোট কাজ করতে প্রায় সাড়ে তিন বছর সময় লাগছে এতে ব্যয় করা অর্থের পরিমাণ ৪ লক্ষ টাকা প্লাস
টাকা দিলে সমাধান করে দিবে নাতো জমি পাব না, জোর করে দখল করে নিচ্ছে তাও সমাধান করে দিবে না।
বিডিএস জরিপ এর জন্য ১ লক্ষ টাকা চেয়েছিলেন। ৩০০০০/= টাকা দিয়ে কাজ করানো হয়েছে। এভাবে প্রত্যেকের কাছ থেকে টাকা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।
যৌথ বাড়ি নির্মাণ ও নকশা, প্লান পাশ অনুমতি জন্য। বাড়ি নির্মাণ অনুমতি পেতে নামজারিসহ যৌথ নির্মাণ অনুমতি, ভাঙ্গা গড়ার অনুমতি পেতে।
ভূমি কর দিতে আব্বা গিয়েছিল। কিন্তু আমাদের Tax. গত বছরেরই সব পরিশোধ করা হয়েছিল। আব্বা সাধারণ মানুষ। ১০ টাকার একটা স্লিজ বের করে ২০০ টাকা নিয়েছে। গতবছর আমার আব্বাকে বলেছিল মোট ১৪ হাজার টাকা লাগবে। আমি সেই কাহ্জ চলতি বছর ফেব্রুয়ারিতে ৫২৬৫ টাকায় করেছি
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।