প্রথম আপত্তি করে ঐ দাগে খাস আছে নতুন রেকর্ডে ভলিয়ম না আসা পর্যন্ত কিছু করার নাই। পরে নতুন রেকর্ডকৃত মূল খতিয়ান দেখালে বলে ভলিউম আসে নাই খাজনা নেয়া যাবে না। এস এ খতিয়ান অনুযায়ী খাজনা নিতে বললে ইউনিয়ন ভুমি অফিসার জানায় ঐ দাগ জলমহাল অংশ তাই খাজনা নেয়া যাবে না। রেকর্ডে জমির শ্রেণী ডাঙ্গা লেখা আছে এই তথ্য দেখালে ইউনিয়ন ভুমি অফিস থেকে ভুতুড়ে কারণ দেখিয়ে নামজারি করা যাবে না বলে আপত্তি করছে। একটার পর একটা নতুন অভিযোগ। বাবা ও দাদাদের খতিয়ান এবং বাবার নামের নামজারির কাগজ বিডিএস রেকর্ড দেখিয়েও সমাধান হয়নি। তারা পনেরো হাজার টাকা দাবী করে সমাধান করার জন্য। তারা জানায় এসিল্যান্ড অফিসার জানতে পারলে আর নামজারি হবে না। তাকে না জানিয়েই করতে হবে। অথচ আমার সকল কাগজ আপডেট করা। হাল সালের খাজনাও পরিশোধ করা।
টাকা দিলে সমাধান করে দিবে নাতো জমি পাব না, জোর করে দখল করে নিচ্ছে তাও সমাধান করে দিবে না।
বিডিএস জরিপ এর জন্য ১ লক্ষ টাকা চেয়েছিলেন। ৩০০০০/= টাকা দিয়ে কাজ করানো হয়েছে। এভাবে প্রত্যেকের কাছ থেকে টাকা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।
যৌথ বাড়ি নির্মাণ ও নকশা, প্লান পাশ অনুমতি জন্য। বাড়ি নির্মাণ অনুমতি পেতে নামজারিসহ যৌথ নির্মাণ অনুমতি, ভাঙ্গা গড়ার অনুমতি পেতে।
ভূমি কর দিতে আব্বা গিয়েছিল। কিন্তু আমাদের Tax. গত বছরেরই সব পরিশোধ করা হয়েছিল। আব্বা সাধারণ মানুষ। ১০ টাকার একটা স্লিজ বের করে ২০০ টাকা নিয়েছে। গতবছর আমার আব্বাকে বলেছিল মোট ১৪ হাজার টাকা লাগবে। আমি সেই কাহ্জ চলতি বছর ফেব্রুয়ারিতে ৫২৬৫ টাকায় করেছি
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।