আমাদের সম্পত্তি ভুলবশত অর্পিত সম্পত্তির খ-তফসিলে পড়েছিল। সরকার গেজেটের মাধ্যমে এটি বাতিল করে ২০১৯ সালের জুন পর্যন্ত খাজনা দেওয়ার সুযোগ দেয়। শেষ মুহূর্তে জানতে পেরে ভূমি অফিসে যাই। কর্মকর্তা কাগজপত্র দেখে জমি বিক্রেতাদের ওয়ারিশান সার্টিফিকেট চান। আইনজীবীকে ফোন করলে তিনি জানান, এ কাগজ প্রয়োজন নেই। খাজনা দেওয়ার সময় শেষ হওয়ায় কর্মকর্তা অফিসের পাশে নিয়ে বলেন, “স্যারকে ম্যানেজ করতে ৩০,০০০/- টাকা লাগবে।” পরে ২০,০০০/- টাকা দিলে কাজ হবে বলেন। আব্বা অসুস্থ ও চিকিৎসায় অনেক খরচ হওয়া সত্ত্বেও বাধ্য হয়ে ২০,০০০/- টাকা জোগাড় করে তাকে দিই। টাকা নেওয়ার পর তিনি জানান, ১৫ বছরের খাজনা ৪,৩৮৫/- টাকা। আমরা খাজনার টাকা দিলে তিনি রসিদ দেন। খাজনা প্রদানের তারিখ: ২০ জুন ২০১৯।
টাকা দিলে সমাধান করে দিবে নাতো জমি পাব না, জোর করে দখল করে নিচ্ছে তাও সমাধান করে দিবে না।
বিডিএস জরিপ এর জন্য ১ লক্ষ টাকা চেয়েছিলেন। ৩০০০০/= টাকা দিয়ে কাজ করানো হয়েছে। এভাবে প্রত্যেকের কাছ থেকে টাকা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।
যৌথ বাড়ি নির্মাণ ও নকশা, প্লান পাশ অনুমতি জন্য। বাড়ি নির্মাণ অনুমতি পেতে নামজারিসহ যৌথ নির্মাণ অনুমতি, ভাঙ্গা গড়ার অনুমতি পেতে।
ভূমি কর দিতে আব্বা গিয়েছিল। কিন্তু আমাদের Tax. গত বছরেরই সব পরিশোধ করা হয়েছিল। আব্বা সাধারণ মানুষ। ১০ টাকার একটা স্লিজ বের করে ২০০ টাকা নিয়েছে। গতবছর আমার আব্বাকে বলেছিল মোট ১৪ হাজার টাকা লাগবে। আমি সেই কাহ্জ চলতি বছর ফেব্রুয়ারিতে ৫২৬৫ টাকায় করেছি
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।