নামজারি খতিয়ান রেজিস্ট্রেশন অনলাইন আবেদন করার পর কোনো রকম অগ্রগতি হয়নি, ডেডলাইন শেষ হয়ে 2 মাস অতিক্রম হওয়ার পরও কোনো অগ্রগতি হয়নি। ১০ নং ভাটরা ইউনিয়নের ভূমি অফিসের তোশিলদারের সাথে যোগাযোগ করার পর উনি জমির পরিমাণ অনুসারে ঘুষ দাবি করে এবং বলে যে, ওই ঘুষ রামগঞ্জ ভূমি অফিস এবং ভাটরা ভূমি অফিসের কর্মকর্তাদের মধ্যে ভাগাভাগি হবে, এবং এটাও দাবি করেন যে ঘুষের কিছু অংশ মন্ত্রণালয় পর্যন্ত যাবে। ঘুষের টাকা জমা নেয় রামগঞ্জ ভূমি অফিসের কোনো এক অফিস সহযোগী। ওনারা এটাও বলেন যে যেসকল ফাইলের জন্য ঘুষ দেয়া হয়, শুধুমাত্র সেসকল ফাইল প্রসেস করা হয়। নতুবা চেয়ারের নীচে ফাইল ফেলে রাখা হয়।
টাকা দিলে সমাধান করে দিবে নাতো জমি পাব না, জোর করে দখল করে নিচ্ছে তাও সমাধান করে দিবে না।
বিডিএস জরিপ এর জন্য ১ লক্ষ টাকা চেয়েছিলেন। ৩০০০০/= টাকা দিয়ে কাজ করানো হয়েছে। এভাবে প্রত্যেকের কাছ থেকে টাকা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।
যৌথ বাড়ি নির্মাণ ও নকশা, প্লান পাশ অনুমতি জন্য। বাড়ি নির্মাণ অনুমতি পেতে নামজারিসহ যৌথ নির্মাণ অনুমতি, ভাঙ্গা গড়ার অনুমতি পেতে।
ভূমি কর দিতে আব্বা গিয়েছিল। কিন্তু আমাদের Tax. গত বছরেরই সব পরিশোধ করা হয়েছিল। আব্বা সাধারণ মানুষ। ১০ টাকার একটা স্লিজ বের করে ২০০ টাকা নিয়েছে। গতবছর আমার আব্বাকে বলেছিল মোট ১৪ হাজার টাকা লাগবে। আমি সেই কাহ্জ চলতি বছর ফেব্রুয়ারিতে ৫২৬৫ টাকায় করেছি
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।