আমার জীবনে এইটা ঘুষ দেওয়ার প্রথম অভিজ্ঞতা ছিল পরে আরও দিতে হয়েছে।আমরা বাইক এ করে শেরপুর থেকে বাড়ি আসছিলাম,সময় কই রোড এলাকায় এসে কয়েকজন পুলিশ আমাদের বাইক আটকায়,তারপর একজন আরেকজনকে বলতে থাকে আজকে অনেকগুলো বাইক থানায় নিয়ে যেতে হবে। এটা সম্ভবত ২০০৯ সালের ঘটনা।আমরা অনেক রিকুয়েস্ট করি ছেড়ে দেওয়ার জন্য।তখন আরেকজন কনস্টেবল এসে এক হাত আর এক হাতের বগলের নিচে ইশারাতে টাকা চায় আমরা তখন বুঝতে পারিনা,তখন সে পুলিশ কনস্টেবল বাধ্য হয়ে সরাসরি মুখে বলে ৫০০ টাকা দাও দিয়ে চলে যাও স্যার কে মেনেজ করতে হবে।আমাদের কাছে তেমন টাকা পয়সা ছিল না, আমরা সবার পকেট চেক করে মাত্র ১২৭ টাকা আছে এটা ওই কনস্টেবল কে জানাই তিনি রাগান্বিত হয়ে বলে এটা তো হবে না তোমাদের বাইক থানায় নিয়ে যাব পরবর্তীতে এস আই কে জানায় এরা ছ
কোন সমস্যা নেই কাগজ পাতির, মামলার ভয় দেখিয়ে ৫০০ টাকা নিয়েছে
আমি একটা প্রাইভেট কোম্পানীতে জব করি কাজের চাপ থাকায় অফিস থেকে বের হতে অনেক রাত হয় । পথিমধ্যে কিছু পুলিশ আমাকে দার করায় এবং জানতে চায় কোথা থেকে এসেছি ? আমি অফিসের আইডি কার্ড দেখানোর পরেও আমাকে তারা চেক করে কিন্তু কিছু না পেয়ে আমার কাছে 2000 টাকা দাবি করে না দিলে মাদক কেস দিবে ইত্যাদি বলে এখন নিজের সম্মান বাচাতে তাকে টাকা দিতে বাধ্য হই।
আমি হাতিরঝিল দিয়ে আসতেছিলাম। অল্প একটু জায়গা ম্যাবি ১০ ফিট হবে ভুল চলে গিয়েছি। রাস্তা ফাঁকা থাকায় আমি গাড়ি ঘুরিয়ে ঠিক রাস্তায় চলে আসি। এটা দেখে ট্রাফিক পুলিশ —। দেখে তার সাগরেদ দিয়ে আমার কাছ থেকে ৫০০ টাকা নেয়। আমার পেপার্স আটকে রেখে। লোকেশনঃ হাতিরঝিল দিয়ে পুলিশ প্লাজা যাওয়ার আগের ৩ রাস্তার মোড়ে।
আমি ছয় শতক জমি ক্রয়ের উদ্দেশ্যে বায়না দলিলের মাধ্যমে ৮ লাখ টাকা প্রদান করি কিন্তু বায়না দলিলের মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পরেও বিভিন্ন তালবাহানা করে দুই বছর সময় অতিক্রান্ত করে। অবশেষে আমাকে জমি দেবে না বলে ঘোষণা দেয়। তখন আমি টাকা উদ্ধারের জন্য আইনের আশ্রয় নেওয়ার জন্য থানার একটি জিডি কফির প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। থানায় জিডি করতে গেলে বলে এ সংক্রান্ত জিটি থানায় নেওয়া হয় না। পরবর্তীতে দালাল চক্রের মাধ্যমে ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে থানায় জিডি করতে সক্ষম হই।
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।