লক্ষ্মীপুর জেলার চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার কুশাখালী ইউনিয়ন ভূমি অফিসে এক বছরের জমির খাজনায় ১৫০ টাকার বদলে অতিরিক্ত ১৮৫০ টাকা নেয়। এখন আপনি হয়তো বলতে পারেন আগের কোনো খাজনা দেওয়া বাকী ছিল,কিন্তু উত্তর হচ্ছে না আমি প্রতিবছর নিয়মিত খাজনা দিয়ে ফেলি। এই টাকা লোকজন বেদে আরও বেশি করে নিয়ে থাকে। তার উপর আবার কম্পিউটার চার্জের নাম দিয়ে জনপ্রতি ২০০-৫০০ টাকা করে রাখে। একি সাথে নামজারিতেও একই অবস্থা পুরো লক্ষ্মীপুর জেলাজুড়ে বেশির ভাগ ভুমি অফিস ১১২০৳ ফি বিগত বছরগুলোর ন্যায় ৭০০০-১২০০০ হাজার টাকা পর্যন্ত নিয়ে থাকে। না দিলে নামজারি করে না। বিভিন্ন ওজুহাত দিয়ে আবেদন বাতিল করে দেয়। উল্লেখ্য, আমাদের বর্তমান পানি সম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানী ঐ মন্ত্রীর গ্রামের বাড়ি একই ইউনিয়নে।
টাকা দিলে সমাধান করে দিবে নাতো জমি পাব না, জোর করে দখল করে নিচ্ছে তাও সমাধান করে দিবে না।
বিডিএস জরিপ এর জন্য ১ লক্ষ টাকা চেয়েছিলেন। ৩০০০০/= টাকা দিয়ে কাজ করানো হয়েছে। এভাবে প্রত্যেকের কাছ থেকে টাকা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।
যৌথ বাড়ি নির্মাণ ও নকশা, প্লান পাশ অনুমতি জন্য। বাড়ি নির্মাণ অনুমতি পেতে নামজারিসহ যৌথ নির্মাণ অনুমতি, ভাঙ্গা গড়ার অনুমতি পেতে।
ভূমি কর দিতে আব্বা গিয়েছিল। কিন্তু আমাদের Tax. গত বছরেরই সব পরিশোধ করা হয়েছিল। আব্বা সাধারণ মানুষ। ১০ টাকার একটা স্লিজ বের করে ২০০ টাকা নিয়েছে। গতবছর আমার আব্বাকে বলেছিল মোট ১৪ হাজার টাকা লাগবে। আমি সেই কাহ্জ চলতি বছর ফেব্রুয়ারিতে ৫২৬৫ টাকায় করেছি
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।