২০২৩ সালে আমার আব্বুর চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে যেতে হতো তাই তার পাসপোর্ট বানাতে গিয়েছিলাম সব প্রসেস হওয়ার পর পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য সাভার থানায় যেতে বলা হয়েছিল সেখানে যাওয়ার পর দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসার ১০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে আমাদের পাসপোর্ট ছিল দুইটি আমার ভাইয়ের একটি ছিল দুইটার জন্য ২ হাজার টাকা ঘুষ চাওয়া হয় কোন রাস্তা না থাকা সেটি দিতে হয়েছিল, বিষয়টি অনেক পুরনো কিন্তু বিষয় হচ্ছে সে অফিসার গুলা এখনো দায়িত্ব প্রাপ্ত রয়েছে এবং কাজ করে যাচ্ছে এবং তাদের কোন শাস্তিও হয়নি। এমনকি বিগত সরকারের সময়ে এই সাভার থানার পুলিশ অফিসাররা সবচেয়ে নিকৃষ্ট কাজ করেছে তাদের কোন শাস্তিও হয়নি ওপেন ফায়ার করেছে তারা অনেককে মেরেছে।
আমি একজন স্টুডেন্ট আমি আবেদন করার সময় লেবার সিলেক্ট করি ভুলে এখন নাকি লেবার তার ডকুমেন্টস লাগবে আমার জানা মতে এমন কোন ডকুমেন্টস হয় না এটা তাদের জানালে তারা একটা নাম্বার দেয় এবং তার সাথে যোগাযোগ করতে বলে পরে যোগাযোগ করলে ৩৫০০ টাকা দাবি করে অবশেষে টাকা দিলে পরে আমার পাসপোর্ট এর কগজ এবং ফিঙ্গার নেয়
The police demanded it. Otherwise he was giving me a lot of trouble.
ঘটনাটা এই বছরের নয় গত বছরের। আমার IELTS পরীক্ষার জন্য পাসপোর্টের প্রয়োজন ছিল। অনলাইনে আবেদন সাবমিট করে যেদিন ফিঙ্গার ও ছবি উঠানোর জন্য যাই সেদিন সমস্ত কাগজ ঠিক থাকার পরেও আমাকে ফেরত পাঠানো হয়। পরবর্তীতে আমার পরিচিত একজন আত্মীয়ের মাধ্যমে পাসপোর্ট অফিসের সামনে অবস্থিত কম্পিউটারের দোকানের মাধ্যমে উপরে উল্লেখিত নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা প্রদান করি। পরবর্তীতে জানতে পারি ওখানে অবস্থিত সকল টেক দোকানগুলোর কাজ হলো এটা।
পাসপোর্টের পুলিশ ভেরিফাই করাতে গিয়ে ১০০০ টাকা পুলিশ ঘুস নিছে,,,
Comments 0
No comments yet. Be the first.