খুলনা সদর ভুমি অফিসে ঘুষ ছাড়া কোন কাজই হয়না আর যদি আপনার নথিতে সামান্য সমস্যা থাকে তাহলে তো ঘুষ ছাড়া আপনার ফাইল আটকে থাকবে দিনের পর দিন,আমার একটা জমির মালিকানা পরিবর্তন বা ই-নামজারি বা বিআরএস খতিয়ান ভুক্ত করাতে, অনেক দিন দৌড়ানোর পরেও আবেদনটি নামঞ্জুর করে দেয় দায়িত্বরত নায়েব ও এসি ল্যান্ড পরে উক্ত নায়েবের সাথে ভুমি অফিসের বাইরে মিটিং করে ৭০,০০০ টাকা চুক্তি হয় এবং তা পরিশোধ করার পরবর্তী ১ সপ্তাহে কাজটি হয়ে যায়!
টাকা দিলে সমাধান করে দিবে নাতো জমি পাব না, জোর করে দখল করে নিচ্ছে তাও সমাধান করে দিবে না।
বিডিএস জরিপ এর জন্য ১ লক্ষ টাকা চেয়েছিলেন। ৩০০০০/= টাকা দিয়ে কাজ করানো হয়েছে। এভাবে প্রত্যেকের কাছ থেকে টাকা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।
যৌথ বাড়ি নির্মাণ ও নকশা, প্লান পাশ অনুমতি জন্য। বাড়ি নির্মাণ অনুমতি পেতে নামজারিসহ যৌথ নির্মাণ অনুমতি, ভাঙ্গা গড়ার অনুমতি পেতে।
ভূমি কর দিতে আব্বা গিয়েছিল। কিন্তু আমাদের Tax. গত বছরেরই সব পরিশোধ করা হয়েছিল। আব্বা সাধারণ মানুষ। ১০ টাকার একটা স্লিজ বের করে ২০০ টাকা নিয়েছে। গতবছর আমার আব্বাকে বলেছিল মোট ১৪ হাজার টাকা লাগবে। আমি সেই কাহ্জ চলতি বছর ফেব্রুয়ারিতে ৫২৬৫ টাকায় করেছি
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।