আমার এক বন্ধু বিদেশে পড়াশোনা করে। সে সরকারি নির্ধারিত নিয়মে অনলাইনে Police Clearance Certificate (PCC)-এর জন্য আবেদন করে এবং আবেদন বাবদ ১,৫০০ টাকা পরিশোধ করে। পরবর্তীতে দৌলতপুরে সত্যায়িত কাগজপত্র জমা দিতে গেলে তার কাছে অতিরিক্ত ১,০০০ টাকা খরচ বাবদ দাবি করা হয়। তাকে বলা হয়, টাকা না দিলে নাকি তার আবেদন অ্যাপ্রুভ হবে না/পুলিশ ক্লিয়ারেন্স হবে না। তিনি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ফোন নম্বর চাইলে নম্বরও দেওয়া হয়নি। পরবর্তীতে ৫০০ টাকা দেওয়ার পর তার আবেদনটি সম্পন্ন হয়। প্রশ্ন হলো, অনলাইনে আবেদন করার সময় নির্ধারিত ১,৫০০ টাকা পরিশোধ করার পরও কাগজপত্র জমা দেওয়ার সময় অতিরিক্ত টাকা কেন দাবি করা হবে? যদি কোনো অতিরিক্ত সরকারি ফি থাকে, তাহলে তার সরকারি রসিদ বা নির্ধারিত ফি সম্পর্কে স্পষ্ট তথ্য দেওয়া
কর্মচারীদের প্রমোশন শতভাগ টাকার বিনিময়ে হচ্ছে। ২০০০০০ থেকে ৫০০০০০ টাকায়। এম আর, এডহক নিয়োগে চলছে ৫০০০০০ খেকে ৮০০০০০ টাকায়।
Nid কার্ড করার জন্য গিয়েছিলাম। সেখান কার এক কম্পিউটার দোকানে পিন মারতে যাওয়ার দোকানদার বলে যে nid কার্ড ১ দিনে করে দিবে ৪০০ ০ টাকায় পরে আমি মানা করে দিয়ে সঠিক পদ্ধতিতে বায়োমেট্রিক সম্পন্ন করি
paid the NID name correction bribery for my mother-in-law's NID due to urgent passport renewal. The officer initially demanded 12000 BDT, then after realizing urgency he demanded 3000 BDT more and threatened by saying "if you even go official or unofficial procedure in any other way, it will go through me and I will see how it can be approved." eventually forced to pay in total of 15000 BDT and corrected the NID just within 1 hour after that.
ব্যাংকের হাউজ লোন পাওয়ার জন্য আবেদন করি। কিন্তু নির্দিষ্ট অংকের টাকা ছাড়া হাউজ লোন করে দেয়া সম্ভব না বলে জানায়।হাউস লোনটি আমার খুবই প্রয়োজন, এজন্য আমি শেষমেষ বাধ্য হয়ে টাকা দিয়েছি।
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।