২০০৭ সালে আমার বাবা মারা যায় তখন আমি ছোট। তখন আমাদের এলাকায় ভূমি পর্চা কাজ চলমান থাকে আমাদের পরিবারের আর কেউ না থাকায় আমরা সেটা পর্চা করতে পারেনি বা অবহেলার কারণে বা কোন কারণেই হোক আমরা সেটা করিনি। এখন আমি পড়ালেখা শেষ করেছি আমি এখন মোটামুটি জমি সংক্রান্ত ভালো বুঝি এখন দেখতেছি আমাদের এই জমিটা পর্চা করা হয়নি যার কারণে আমি আটোয়ারী থানা সেটেলমেন্ট অফিস যাই এবং সেখানে এই বিষয়টা খুলে বলি তখন তারা অনেকদিন আগের এটা এখন করা যাবে না যদি আপনি করেন তাহলে বারো হাজার টাকা লাগবে অথবা না হলে আপনি দিনাজপুরে যায় মামলা করেন। অবশ্য বারো হাজার টাকা সরাসরি অফিসাররা চায়নি তাদের যে প্রিয়ন্ডরা আছে তারা তাদের দ্বারা বলে তাদের সাথে আমি তখন যোগাযোগ করে ১২০০ টাকা দিতে রাজি হই এবং তারা কাজটা পাঁচ মিনিটে করে দ
টাকা দিলে সমাধান করে দিবে নাতো জমি পাব না, জোর করে দখল করে নিচ্ছে তাও সমাধান করে দিবে না।
বিডিএস জরিপ এর জন্য ১ লক্ষ টাকা চেয়েছিলেন। ৩০০০০/= টাকা দিয়ে কাজ করানো হয়েছে। এভাবে প্রত্যেকের কাছ থেকে টাকা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।
যৌথ বাড়ি নির্মাণ ও নকশা, প্লান পাশ অনুমতি জন্য। বাড়ি নির্মাণ অনুমতি পেতে নামজারিসহ যৌথ নির্মাণ অনুমতি, ভাঙ্গা গড়ার অনুমতি পেতে।
ভূমি কর দিতে আব্বা গিয়েছিল। কিন্তু আমাদের Tax. গত বছরেরই সব পরিশোধ করা হয়েছিল। আব্বা সাধারণ মানুষ। ১০ টাকার একটা স্লিজ বের করে ২০০ টাকা নিয়েছে। গতবছর আমার আব্বাকে বলেছিল মোট ১৪ হাজার টাকা লাগবে। আমি সেই কাহ্জ চলতি বছর ফেব্রুয়ারিতে ৫২৬৫ টাকায় করেছি
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।