আমি পাসপোর্ট নবায়ন করতে গেছিলাম । সব কাগজ পত্র দিয়েছি। এমনকি আমার পূর্ববর্তী পাসপোর্ট এর মেয়াদ তখন ছিল। প্রয়োজনীয় সব মূল কাগজ পত্র দিয়েছি। পুরাতন পাসপোর্ট এর কপি অফ দিয়েছি। তার পর ও নিবে না। বলে কমিশনার সার্টিফিকেট লাগবে। অথচ আমি জানি পূর্ববর্তী পাসপোর্ট থাকলে নবায়নের জন্য সব কাগজ পত্র লাগে না। আমি এক লোকের সাথে কথা বললাম যে আমার পরিচিত। সে একটা ট্রাভেল এজেন্ট চালায়। সে বললো পাসপোর্ট জমা নিবে না যতক্ষণ পর্যন্ত ৩০০০ টাকা না দি। আমি বললাম আগে তো ২০০০ হাজার টাকা নিতো শুনতাম। সে বললো আমি তো ১০ বছরের জন্য পাসপোর্ট করছি। ১০ বছর পর্যন্ত আমাকে তো আর পাবে না। তাই ৩০০০ টাকা দিতে হবে। আমি ৩০০০ টাকা দেয়নি। ডিজি সাহেবের কাছে গিয়ে আমি আমার কোম্পানির রেফারেন্স দিলে তিনি কিছু একটা লিখে দেন। তারপর
আমি একজন স্টুডেন্ট আমি আবেদন করার সময় লেবার সিলেক্ট করি ভুলে এখন নাকি লেবার তার ডকুমেন্টস লাগবে আমার জানা মতে এমন কোন ডকুমেন্টস হয় না এটা তাদের জানালে তারা একটা নাম্বার দেয় এবং তার সাথে যোগাযোগ করতে বলে পরে যোগাযোগ করলে ৩৫০০ টাকা দাবি করে অবশেষে টাকা দিলে পরে আমার পাসপোর্ট এর কগজ এবং ফিঙ্গার নেয়
The police demanded it. Otherwise he was giving me a lot of trouble.
ঘটনাটা এই বছরের নয় গত বছরের। আমার IELTS পরীক্ষার জন্য পাসপোর্টের প্রয়োজন ছিল। অনলাইনে আবেদন সাবমিট করে যেদিন ফিঙ্গার ও ছবি উঠানোর জন্য যাই সেদিন সমস্ত কাগজ ঠিক থাকার পরেও আমাকে ফেরত পাঠানো হয়। পরবর্তীতে আমার পরিচিত একজন আত্মীয়ের মাধ্যমে পাসপোর্ট অফিসের সামনে অবস্থিত কম্পিউটারের দোকানের মাধ্যমে উপরে উল্লেখিত নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা প্রদান করি। পরবর্তীতে জানতে পারি ওখানে অবস্থিত সকল টেক দোকানগুলোর কাজ হলো এটা।
পাসপোর্টের পুলিশ ভেরিফাই করাতে গিয়ে ১০০০ টাকা পুলিশ ঘুস নিছে,,,
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।