এটা বাংলাদেশের কমন সিনারিও এবং ৫০০০% সত্য ঘটনা, আমি অনেক জমিন খারিজ করেছি। খারিজের সরকারি যেই চালান বা জমা রশিদ প্রদান করে সেখানে সরকারের নিয়ম অনুযায়ী ১১৭৫/- টাকা সরকারী ফি খাত ওয়ারী লিখে দেয় এবং এটাই সরকারী ফি, কিন্তু বাস্তবতা হলো ফি নেয় ৬০০০/- থেকে আনলেমিটেড। ২০১৭ সালে চাঁদপুর সদর উপজেলার তরপুরচন্ডী ভূমি অফিসে আমার কাছ থেকে ৬০০০/- টাকা নিচে কিন্তু রশিদ দিছে ১১৭৫/- কিছু বল্লে বলে খারিজ করাবেন আরো বলে এই টাকার ভাগ মন্ত্রী, ডিসি এসপি সবাই পায়। ২০২১ ফরিদগন্জের রামপুর বাজার ভূমি অফিসে আমার কাছে প্রতি খারিজের বিপরীতে নিচে ৬৫০০/- টাকা করে। আমার কাছে রশিদ গুলো আছে।
টাকা দিলে সমাধান করে দিবে নাতো জমি পাব না, জোর করে দখল করে নিচ্ছে তাও সমাধান করে দিবে না।
বিডিএস জরিপ এর জন্য ১ লক্ষ টাকা চেয়েছিলেন। ৩০০০০/= টাকা দিয়ে কাজ করানো হয়েছে। এভাবে প্রত্যেকের কাছ থেকে টাকা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।
যৌথ বাড়ি নির্মাণ ও নকশা, প্লান পাশ অনুমতি জন্য। বাড়ি নির্মাণ অনুমতি পেতে নামজারিসহ যৌথ নির্মাণ অনুমতি, ভাঙ্গা গড়ার অনুমতি পেতে।
ভূমি কর দিতে আব্বা গিয়েছিল। কিন্তু আমাদের Tax. গত বছরেরই সব পরিশোধ করা হয়েছিল। আব্বা সাধারণ মানুষ। ১০ টাকার একটা স্লিজ বের করে ২০০ টাকা নিয়েছে। গতবছর আমার আব্বাকে বলেছিল মোট ১৪ হাজার টাকা লাগবে। আমি সেই কাহ্জ চলতি বছর ফেব্রুয়ারিতে ৫২৬৫ টাকায় করেছি
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।