ভাইয়ে ভাইয়ে দানপত্র বা হেবা দলিল করতে চাইলে দলিল লেখক বলে যে এখন সাব কবলা ছাড়া সাব রেজিস্ট্রার দলিল পার করে না। সাব কবলার সরকারি হিসাব আসে ২৬ হাজার। আর সেখানে দলিল লেখক অফিসের ব্যক্তিগত খরচের কথা বলে নেয় ৩৭ হাজার। তারপর দলিল লেখক আবার একটু পর সাব রেজিস্ট্রার অফিসে ঢুকে এসে একটু পর আমাদের জানায় আরও ৩ হাজার লাগবো নামের নামের এ,কার আ, কার ভুলের জন্য। তাও দেই কারণ জমিটা কবলা করা খুব জরুরি ছিলো। যখন সাব রেজিস্ট্রার এ দলিল জমা দিলো একটুপর ডাক পরলো সাব রেজিস্ট্রার আইডি কার্ড ও রেকর্ড অনুযায়ী মূল নামের শেষে আলী ও হোসেন এর জন্য আটকে দিলো সাব রেজিস্ট্রারের জন্য আলাদাভাবে সে নাকি আরও ৩ হাজার টাকা নিবে। মনে করছিলাম দলিলই করবো না কিন্তু নিরুপায় হয়ে আরও ৩ হাজার সহ ৪৩ হাজার লাগলো+হয়রানি।
If u pay process is fast and smooth. Otherwise file gets prolonged.
জমি রেজিস্ট্রেশন করার পরে নামজারী করতে আফতাব নগর ভূমি অফিস এ গিয়েছিলাম, সরকারি ফ্র্রি ১১০০ টাকা করে ২২০০ টাকা তারা প্রথম এ ২৫০০০০ টাকা দাবি করে, কোনো উপায় না দেখে আমরা ২০০, ০০০ টাকা রাজি হয়। এতো টাকা দিয়ে কোথাও নামজারী কেউ করসে কি না জানা নাই। বাড্ডা আফতাব নগর ভূমি অফিস যেনো ঘুষ এর রাজ্যে।
আমার জমি এর দলিল এর সংশোধন এর জন্য কোর্ট থেকে আদেশ দেওয়া হয়েছিল। যথাযথ প্রসিডিউর (!) ফলো করে রেজিস্ট্রি অফিসে পাঠানো হয়। যিনি নকল বানাবেন উনি অতিরিক্ত চার্জ চান। আমি নেগোশিয়েশন করে একটু কম ধার্য করি। কাজ শুরুর আগে প্রায় অর্ধেক অ্যাডভান্স করার লাগে। কাজ শেষে বাকিটুকু দেই। না দিলে কাজ হত না এটা বলছি না। যেটা ২ সপ্তাহ লেগেছে সেটা হয়ত ৬ মাস বা তার বেশি লাগত।
আমার বাবা, আমার চাচার কাছ থেকে জমি কিনেছিলো, কিন্তু রেজিস্ট্রি করা হয়েছিল না, অল্প সময়ের ব্যবধানে বাবা মারা যান, বাবা মারা যাওয়ার পর, জমির সব নাম অনলাইন করার জন্য সরকার থেকে তাগাদা দিল, তখন চাচা বললো যে এই সুযোগে তোদের দুই ভাই এর নাম রেজিস্ট্রিকরে নে, তো রেজিস্ট্রি করতে গিয়ে চার নামের বানান ভুল ধরা পরে, আর সেই ভুল শোধরানোর জন্য আমাদের অতিরিক্ত 12000 টাকা চাওয়া হয়
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।