আমার ফুফাতো ভাই গত ৭ আগস্ট মৃত্যুবরণ করেন এবং তাকে আজিমপুর কবরস্থানে দাফন করা হয়। কবরস্থানের নিয়ম অনুযায়ী, একটি কবর নির্দিষ্ট সময়—প্রায় দুই বছর পর্যন্ত—সংরক্ষণ করা হয়, এরপর সেখানে নতুন করে কবর দেওয়া হয়। এ অবস্থায় কবরস্থানের রক্ষণাবেক্ষণের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একজন ব্যক্তি আমাদের কাছে দুই বছর পর্যন্ত কবর খেদমত করার জন্য প্রতি মাসে ১,০০০ টাকা দাবি করেছেন। অর্থাৎ দুই বছরে মোট ২৪,০০০ টাকা। বিষয়টি আমাদের কাছে কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। আমার প্রশ্ন হলো, আজিমপুর কবরস্থান কর্তৃপক্ষ বা সিটি কর্পোরেশন কি কবরস্থান রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকা কর্মীদের বেতন বা পারিশ্রমিক প্রদান করে না? যদি করে থাকে, তাহলে মৃত ব্যক্তির স্বজনদের কাছ থেকে আবার এভাবে মাসিক টাকা দাবি করার সুযোগ কোথা থেকে আসে?
ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে গিয়েছিলাম,,২৬৯১ টাকার রশিদ দিয়েছে,, কিন্তু অতিরিক্ত ৫০০ টাকা দিতে হয়েছে, নইলে কোনভাবেই দিচ্ছিলো না,,টঙ্গী পৌরসভা অফিস
There's unofficial people roaming inside of the DNCC office in Mohakhali who would say it is not possible at first only to make you bribe them.
ট্রেড লাইসেন্সের কাজ অনলাইন ওয়েবসাইট বানায় রাখলেও এসব কাজ অনলাইনে কিছুই হয় না। সব দালাল আর ঘুরে ঘুরে করা লাগে ডিএনসিসি অফিস, ওয়ার্ড নং ২৮ ই '—' নাম এর একজন ঘূষ নিসে ট্রেড লাইসেন্স সাথে করে দিবে আর টাকা না দিলে কাজ করতে ১ সপ্তাহ লাগবে। তাই আমি বাধ্য হয়ে ১০০০ টাকা ঘুষ দেই। ঘুষ দেয়ার সাথে সাথে ১ দিনের মধ্যে ৩-৪ জন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার স্বাক্ষর নিয়ে নেয় এই ব্যাক্তি । এই অফিসে যতজন কাজ করে সবাই নিজের সাথে দালাল রাখে। নিজেরা ভালো মানুষ হয়ে বসে থাকে আর দালাল দিয়ে কাজ চালায়
আমি দোকানের জন্য একটি ট্রেড লাইসেন্স করতে ঢাকা দক্ষিণ সিটির খিলগাঁও, তিলপাড়ায় যাই। সরকারি ফি- 4075 টাকা, কিন্তু তারা দাবি করে- 7000 টাকা। অবশেষে আমি 6000 টাকায় কাজ সম্পন্ন করি।
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।