আমার এক ফুফু মানসিক সমস্যা হয়েছিল জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইন্সটিটিউট ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার করে, তখন তার জ্বর থাকায় তাকে নতুন ভবনের ৮ তলায় মহিলা ওয়ার্ডে ভর্তি রাখা হয়েছিল তার অবস্থা ছিলো ইমারজেন্সি কিন্তু তারা অবহেলা করলো ২ দিন পর মরে গেলো, যাক আল্লাহ নিয়ে গেছে। কিন্তু ওখানে ওয়ার্ড ইনচার্জ লোকটা মর্গে লাস টা রেজিস্ট্রার করতে ৫০০ টাকা নিছে, ইমারজেন্সি মেডিকেল অফিসার তাকে নিষেধ করেছিলো তাও সে তার কাছে ফটোকপিতে সিল নিয়ে তারপর ৫০০ টাকা দিয়ে লাসটা ছাড়পত্র দেয়, তাও তার বিনিময় তাদের এম্বুলেন্সে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে লাস বাড়িতে নিছি, আমি তখন বুঝতে পারছি বাংলাদেশের জমিনে আমরা মরলেও মুক্তি নেই।
one Dr. asked 2000 taka for given my father's death certificate :(
রোগী ভর্তি করাতে যেয়ে উনারা বলতেছিলো সিট খালি নেই। পরে একজন আয়াকে ৫০০ টাকা দিতেই উনি ভিতরে গিয়ে নিজে কেমনে কী করে আসলো। সিট পেয়ে গেলাম
Asked for 500 to get me a bed for my son
কিডনি বিভাগে ভর্তি হয়েছি। তারপর ছাড়পত্র আনার সময় ওয়ার্ল্ড বয় চা নাস্তা বাবদ কিছু টাকা দাবি করে।। তারপর তা পরিশোধ করি।
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।