মৌচাক, সখীপুর ভূমি অফিসে কর্মরত একজন নাইব ছিলেন, যিনি অসুস্থতার কারণে স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা বা কথা বলতে পারতেন না। তবুও, তিনি ও তার সহকারীরা বিভিন্ন ব্যক্তি ও অফিস সহায়কের মাধ্যমে প্রকাশ্যে ঘুষের জন্য দরকষাকষি করতেন। ঘুষ ছাড়া কোনো সরকারি কাজ করতে তিনি সম্মত হতেন না। আমাদের জমি নিয়ে মামলা চলাকালে, আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী তার জমি পরিদর্শনে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তিনি পরিদর্শন করতে যাওয়ার জন্য প্রথমে২৫,০০০ টাকা ঘুষ দাবি করেন। পরে তার সহকারীর মাধ্যমে এবং সরাসরি দরকষাকষির পর ৭,০০০ টাকায় বিষয়টি নির্ধারিত হয়। সেই অর্থের প্রতিশ্রুতি পাওয়ার পরই তিনি জমি পরিদর্শনে যান। সেখানে আমাদের জমি দখলকারী প্রতারক চক্রের সদস্যরাও উপস্থিত ছিল, যারা অবৈধভাবে আমাদের জমি বিক্রি করে সেখানে একটি কারখানা তৈরি
টাকা দিলে সমাধান করে দিবে নাতো জমি পাব না, জোর করে দখল করে নিচ্ছে তাও সমাধান করে দিবে না।
বিডিএস জরিপ এর জন্য ১ লক্ষ টাকা চেয়েছিলেন। ৩০০০০/= টাকা দিয়ে কাজ করানো হয়েছে। এভাবে প্রত্যেকের কাছ থেকে টাকা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।
যৌথ বাড়ি নির্মাণ ও নকশা, প্লান পাশ অনুমতি জন্য। বাড়ি নির্মাণ অনুমতি পেতে নামজারিসহ যৌথ নির্মাণ অনুমতি, ভাঙ্গা গড়ার অনুমতি পেতে।
ভূমি কর দিতে আব্বা গিয়েছিল। কিন্তু আমাদের Tax. গত বছরেরই সব পরিশোধ করা হয়েছিল। আব্বা সাধারণ মানুষ। ১০ টাকার একটা স্লিজ বের করে ২০০ টাকা নিয়েছে। গতবছর আমার আব্বাকে বলেছিল মোট ১৪ হাজার টাকা লাগবে। আমি সেই কাহ্জ চলতি বছর ফেব্রুয়ারিতে ৫২৬৫ টাকায় করেছি
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।