প্রথম দিন গিয়ে তাদের অসাধু আচরণ দেখে চলে আসছি, তারপর দ্বিতীয় দিন গিয়ে, প্রথমেই বাংলাদেশি নাগরিক কিনা সেটা যাচাই করতে গেছি,তারপর সেখানে ভুল ধরছে, আমার আইডি কার্ডের বাংলাদেশের লোগো ঝাপসা কেন,তার জন্য সত্যয়ন না করেই পাঠিয়ে দিছে। তারপর পুনরায় নতুন আইডি কার্ড প্রিন্ট করে আনার পর যাচাই করে দিছে। তথ্য যাচাইয়ে যাওয়ার পর ভুল ধরলো, আমার জেলায় না করে এখানে আসছি কেন? নিজ জেলায় যেতাম এবং যে ভুল গুলা ধরা প্রয়োজন নেই সেগুলা ধরে পাঠিয়ে দিছে। তারপর এক দালালের সাথে কথা বলে জানতে পারলাম এমন পঞ্চাশটা ভুল ধরতে পারবে, পরে তারে জিজ্ঞাসা করলাম কি ভুল ধরবে একটা উদাহরণ দেন দেখি। সে বল্লো আপনি তো স্টুডেন্ট, স্টুডেন্ট আইডি কার্ড আছে আপনার? এই কথা শুনার পর কথা না বাড়িয়ে টাকা দিয়ে সমস্ত ভুল ঠিক করে ফেলছি।
আমি একজন স্টুডেন্ট আমি আবেদন করার সময় লেবার সিলেক্ট করি ভুলে এখন নাকি লেবার তার ডকুমেন্টস লাগবে আমার জানা মতে এমন কোন ডকুমেন্টস হয় না এটা তাদের জানালে তারা একটা নাম্বার দেয় এবং তার সাথে যোগাযোগ করতে বলে পরে যোগাযোগ করলে ৩৫০০ টাকা দাবি করে অবশেষে টাকা দিলে পরে আমার পাসপোর্ট এর কগজ এবং ফিঙ্গার নেয়
The police demanded it. Otherwise he was giving me a lot of trouble.
ঘটনাটা এই বছরের নয় গত বছরের। আমার IELTS পরীক্ষার জন্য পাসপোর্টের প্রয়োজন ছিল। অনলাইনে আবেদন সাবমিট করে যেদিন ফিঙ্গার ও ছবি উঠানোর জন্য যাই সেদিন সমস্ত কাগজ ঠিক থাকার পরেও আমাকে ফেরত পাঠানো হয়। পরবর্তীতে আমার পরিচিত একজন আত্মীয়ের মাধ্যমে পাসপোর্ট অফিসের সামনে অবস্থিত কম্পিউটারের দোকানের মাধ্যমে উপরে উল্লেখিত নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা প্রদান করি। পরবর্তীতে জানতে পারি ওখানে অবস্থিত সকল টেক দোকানগুলোর কাজ হলো এটা।
পাসপোর্টের পুলিশ ভেরিফাই করাতে গিয়ে ১০০০ টাকা পুলিশ ঘুস নিছে,,,
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।