১০ বছরের পাসপোর্ট করতে গিয়ে প্রথমে বলা হলো, জায়গার নাম ঠিক নেই—আবেদন বাতিল করে নাকি প্রায় ৬ মাস অপেক্ষা করতে হবে। অথচ এর আগেই ব্যাংকে ৫,৭৫০ টাকা জমা দিয়েছি। অফিস থেকে বের হওয়ার সময় এক দালাল এসে বলল, “১,৫০০ টাকা দেন, সব ঠিক করে দেবেন—আপনার কিছুই করতে হবে না।” শেষ পর্যন্ত টাকা দিলাম, আবার লাইনে দাঁড়ালাম। পাসপোর্ট অফিসার আমার দিকে ঠিকমতো তাকালেনও না, শুধু সিগনেচার করে দিলেন! পরে দেখলাম, দালাল আমার একটি কাগজ নিয়ে শুধু তাদের Gmail address যোগ করে দিয়েছে—আর তেমন কোনো পরিবর্তনই করেনি। এই হলো বাস্তবতা—নিয়ম জানেন না বলে সাধারণ মানুষকে ভয় দেখিয়ে দালালের মাধ্যমে কাজ করিয়ে অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হয়! নোয়াখালী পাসপোর্ট অফিস।
আমি একজন স্টুডেন্ট আমি আবেদন করার সময় লেবার সিলেক্ট করি ভুলে এখন নাকি লেবার তার ডকুমেন্টস লাগবে আমার জানা মতে এমন কোন ডকুমেন্টস হয় না এটা তাদের জানালে তারা একটা নাম্বার দেয় এবং তার সাথে যোগাযোগ করতে বলে পরে যোগাযোগ করলে ৩৫০০ টাকা দাবি করে অবশেষে টাকা দিলে পরে আমার পাসপোর্ট এর কগজ এবং ফিঙ্গার নেয়
The police demanded it. Otherwise he was giving me a lot of trouble.
ঘটনাটা এই বছরের নয় গত বছরের। আমার IELTS পরীক্ষার জন্য পাসপোর্টের প্রয়োজন ছিল। অনলাইনে আবেদন সাবমিট করে যেদিন ফিঙ্গার ও ছবি উঠানোর জন্য যাই সেদিন সমস্ত কাগজ ঠিক থাকার পরেও আমাকে ফেরত পাঠানো হয়। পরবর্তীতে আমার পরিচিত একজন আত্মীয়ের মাধ্যমে পাসপোর্ট অফিসের সামনে অবস্থিত কম্পিউটারের দোকানের মাধ্যমে উপরে উল্লেখিত নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা প্রদান করি। পরবর্তীতে জানতে পারি ওখানে অবস্থিত সকল টেক দোকানগুলোর কাজ হলো এটা।
পাসপোর্টের পুলিশ ভেরিফাই করাতে গিয়ে ১০০০ টাকা পুলিশ ঘুস নিছে,,,
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।