আগে তো তাও জমির খাজনা সরাসরি অনলাইনে দেওয়া যেত। বর্তমান সরকার এসে সেই সিস্টেম একদম বন্ধ করে দিয়েছে। তো সেদিন গিয়েছিলাম জমির খাজনা দিতে ভূমি অফিস খিলক্ষেত এ। খাজনা খুব দ্রুত পরিষদের জন্য আমার কাছ থেকে ১০০০ টাকা দাবি করে কিন্তু আমি যখন বললাম আগে তো অনলাইনে দিতাম তখন তো এত ভেজাল ছিল না তাহলে আপনাকে কেন ১০০০ টাকা দিব। তখন সে বলে ভাই দ্রুত কাজ করতে হলে এইটুকু টাকা দিতেই হবে। সে ছিল ভূমি অফিসের অফিস সহায়ক। যাই হোক পরবর্তীতে ৫০০ টাকায় জিনিসটা সেটেল করতে হয়। বিএনপি সরকার এসে অনেক কিছুই বন্ধ করে দিচ্ছে যাতে করে ঘুষের বাণিজ্য চলতে পারে। এরা জুলাই এর সাথে বেইমানি করা জাতি। এদের অবস্থান ও আওয়ামী লীগের তুলনায় অনেক বেশি খারাপ হবে লিখে রাখলাম।
টাকা দিলে সমাধান করে দিবে নাতো জমি পাব না, জোর করে দখল করে নিচ্ছে তাও সমাধান করে দিবে না।
বিডিএস জরিপ এর জন্য ১ লক্ষ টাকা চেয়েছিলেন। ৩০০০০/= টাকা দিয়ে কাজ করানো হয়েছে। এভাবে প্রত্যেকের কাছ থেকে টাকা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।
যৌথ বাড়ি নির্মাণ ও নকশা, প্লান পাশ অনুমতি জন্য। বাড়ি নির্মাণ অনুমতি পেতে নামজারিসহ যৌথ নির্মাণ অনুমতি, ভাঙ্গা গড়ার অনুমতি পেতে।
ভূমি কর দিতে আব্বা গিয়েছিল। কিন্তু আমাদের Tax. গত বছরেরই সব পরিশোধ করা হয়েছিল। আব্বা সাধারণ মানুষ। ১০ টাকার একটা স্লিজ বের করে ২০০ টাকা নিয়েছে। গতবছর আমার আব্বাকে বলেছিল মোট ১৪ হাজার টাকা লাগবে। আমি সেই কাহ্জ চলতি বছর ফেব্রুয়ারিতে ৫২৬৫ টাকায় করেছি
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।